বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

‘হাসিনা অনুপ্রবেশকারী নাকি শরণার্থী’


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

‘ভারতে শেখ হাসিনার স্টেটাস কী? অনুপ্রবেশকারী নাকি শরণার্থী? অমিত শাহ জবাব দিতে পারবেন?’-এভাবেই প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজা তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক নির্বাচনী সভায় অভিষেক বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলকাতায় প্রেস কনফারেন্স করে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত হওয়ার থেকে ভালো দিল্লি-গুজরাত থেকে পরিচালিত হোক।

তার মানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, কলকাতা আর বাংলাদেশ এক! আমি তো বলছি না, উনি নিজেই বলছে। বাংলাকে যদি কেউ বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেন, তা দেখেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আমাদের প্রশ্ন বাংলাকে যদি বাংলাদেশ চালায়, তাহলে দিল্লিতে শেখ হাসিনা কী করছেন? ওনাদের কাছে এর জবাব রয়েছে? দেড় বছর ধরে শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে কেন আশ্রয় দিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার? কোন শিল্পপতিকে বাঁচানোর জন্য? ভারতে শেখ হাসিনার স্টেটাস কি? তিনি অনুপ্রবেশকারী নাকি শরণার্থী? অমিত শাহ কি এর জবাব দিতে পারবেন?

এরপরই অভিষেকের প্রশ্ন, বাংলাদেশে যখন সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার হয় তখন কী পদক্ষেপ নেয় নরেন্দ্র মোদীর সরকার? ফলে এসবের মধ্য দিয়ে আজ তারা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে, পশ্চিবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা পরিচালিত হবে দিল্লি গুজরাট দ্বারা।

অভিষেক আরও বলেছেন, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী বলছেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। এই অনুপ্রবেশ রেকর্ড তারা গত দশ বছর ধরে বাজিয়ে আসছে, আজও তা বাজিয়েছে। আমার প্রশ্ন হলো, অনুপ্রবেশ আটকাতে চান, তাহলে কাশ্মীরে নিরাপত্তার দায়িত্বে কে ছিল? সেখানে অনুপ্রবেশ আটকাতে ব্যর্থ হলেন কেন? দিল্লি পুলিশ তো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে। সেখানেও ১০ জন বিস্ফোরণে মারা যাচ্ছেন। কাশ্মীরে ঢুকে ২৬ জনকে মেরে দিচ্ছে।

এর পাশাপাশি অভিযোগ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যে কেউ বাংলায় কথা বললে, কেউ পছন্দের খাবার খেলে, বাড়িতে বাংলায় কথা বললে, আসামের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে বলেছেন, কেউ বাংলায় কথা বললে জেলে ঢোকাও। যারা বাঙালি বিরোধী কথা বলেছে বিগত দিনে, সকলকে বিজেপি পুরস্কৃত করেছে। ভেবেছিলাম, এসে অন্তত ক্ষমা চাইবেন। তিনি তা না করে প্রকাশ্যে কার্যত স্বীকার করেছেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে দিল্লি এবং গুজরাত থেকে পরিচালিত হবে। প্রকাশ্যে বলেছেন তিনি। সবাই দেখেছেন।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ