কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা-বাবা ও ভাই-বোনকে হারানোর খবরটি শুরুতে জানতো না ১২ বছরের মাদরাসা ছাত্র আবরার। সে জানতো- আহত হয়ে সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আবরার নিজেও তখন ছিল হাসপাতালের বেডে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে যখন স্বজনরা ময়নামতি হাইওয়ে থানা থেকে পরিবারের সদস্যদের মরদেহ আনতে যায় তখন সে জানতে পারে যে, সড়ক দুর্ঘটনায় কেবল নিজেই বেঁচে গেছে আর পরিবারের সবাই প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে আবরার। তার চোখে-মুখে শুধুই হতাশা। সে যেন কাঁদতেও ভুলে গেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকার ধুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে প্রাণ হারান রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়ার প্রধান মুফতি ও শাইখুল হাদিস মুফতি আব্দুল মুমিনসহ তার পরিবারের চার সদস্য। সঙ্গে গাড়ির ড্রাইভারও। নিহতরা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমদের বোন, ভগ্নিপতি ও ভাগনে-ভাগনি