বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

সড়কে মা-বাবা, ভাই-বোনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ মাদরাসা ছাত্র আবরার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা-বাবা ও ভাই-বোনকে হারানোর খবরটি শুরুতে জানতো না ১২ বছরের মাদরাসা ছাত্র আবরার। সে জানতো- আহত হয়ে সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আবরার নিজেও তখন ছিল হাসপাতালের বেডে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে যখন স্বজনরা ময়নামতি হাইওয়ে থানা থেকে পরিবারের সদস্যদের মরদেহ আনতে যায় তখন সে জানতে পারে যে, সড়ক দুর্ঘটনায় কেবল নিজেই বেঁচে গেছে আর পরিবারের সবাই প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে আবরার। তার চোখে-মুখে শুধুই হতাশা। সে যেন কাঁদতেও ভুলে গেছে। 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকার ধুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে প্রাণ হারান রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়ার প্রধান মুফতি ও শাইখুল হাদিস মুফতি আব্দুল মুমিনসহ তার পরিবারের চার সদস্য। সঙ্গে গাড়ির ড্রাইভারও। নিহতরা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমদের বোন, ভগ্নিপতি ও ভাগনে-ভাগনি। 

নিহতের স্বজনরা বলেন, লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নানা বাড়িতে ঈদের ছুটি কাটিয়ে প্রাইভেটকারে বাবা-মা-ভাই-বোনের সঙ্গে ঢাকায় ফিরছিল আবরার। পথে প্রাইভেটকারে বাসের ধাক্কায় সবাইকে হারালেও সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছে আবরার। তার আরেকটি ভাই হুজাইফা (২৫) নানা বাড়িতে থাকায় তিনিও বেঁচে যান। ঈদ উদযাপন শেষে ঢাকার মোহাম্মদপুরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদেরকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি। 

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সন্ধ্যায় বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়ার একটি হোটেলে খাবারের বিরতি শেষে সেখান থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার সময় ঢাকামুখী পথে প্রাইভেট কারটি সড়কে ওঠার সময় চট্টগ্রামগামী স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে পাঁচজন নিহত হন। তারা হলেন- আবরারের বাবা মুফতি আব্দুল মোমিন (৫২), মা দিল আফরোজ আক্তার (৪৫), বোন লাবিবা (২১) এবং ছয় বছর বয়সী ভাই আরশাদ। তাদের বড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ছাতারপাইয়া গ্রামে। এ সময় আরও প্রাণ হারান চালক জামাল হোসেন (৫০)। তিনি বরিশাল জেলার বাসিন্দা।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ