বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

‘শ্রমিকের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়ার গড়িমসিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, ঈদুর ফিতর বাঙালি মুসলমানের প্রধান উৎসব। এই ঈদের সাথে অনেক ধরনের আনন্দ, আবেগ ও ভালোবাসা জড়িয়ে থাকে। পরিবারের কর্মক্ষমদের কাছে পরিবারের সদস্যদের নানা চাওয়া থাকে। ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ শতাংশ কারখানা শ্রমিকের বেতন এবং অর্ধেকের বেশি কারখানার শ্রমিকদের বোনাস দেওয়া হয় নাই। এই বিষয়টি উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তেও বেতন-বোনাস পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা জন্ম নিচ্ছে, পরিবারের ছোট বাচ্চারা মানসিকভাবে কষ্ট পাচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আবারো এই দাবি জোরালোভাবে ব্যক্ত করছে যে, অবিলম্বে মানে আজকে ও কালকের মধ্যে সকলের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে। এবং কারখানাগুলো মাসের ১৬ তারিখেরও কেন বেতন বাকি রাখলো, ঈদের ৫ দিন আগেও কেন বোনাস পরিশোধ করলো না তা জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। শ্রমিকের প্রাপ্য শ্রমিককে বুঝিয়ে দিতে এমন গড়িমসিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব এসব কথা বলেন।

শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিতে সরকারের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, এই ক্ষেত্রে সরকারের নজরদারির অভাব আছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সক্রিয় হলে এবং কারখানা মালিকদের ওপরে চাপ প্রয়োগ করলে ১৫ রোজার মধ্যেই তারা বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে বাধ্য। কিন্তু মালিকরা ধনিকশ্রেণির হওয়ার কারণে এবং তাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে সরকার এই বিষয়ে উদাসীন থাবে ফলে প্রতিবছরই ঈদ আসলে শ্রমিকদের দেনা-পাওনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, কোন কোন বছর সহিংস আন্দোলনের জন্ম দেয়। নতুন সরকারের আছে আমাদের প্রত্যাশা ছিলো যে, তারা অন্তত এবার শ্রমিকদের পাওনাটা সময়মতো আদায়ের ব্যবস্থা নেবে। সময়মতো আদায় না হলেও এখনো সময় আছে। দ্রুততার সাথে বকেয়া-বেতন আদায়ের ব্যবস্থা নিন।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ