সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন, চলছে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 

জানুয়ারিতে আরো বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

চলতি মাসে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে এক থেকে দুইটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তারপরও বছরের শীতলতম মাসে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার চলতি জানুয়ারির দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে বলা হয়, শৈত্যপ্রবাহ সত্ত্বেও জানুয়ারির গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে। গত ডিসেম্বরে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেশি ছিল।

এ ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ডিসেম্বরে দেশের গড় স্বাভাবিক তাপমাত্রা থাকে ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এবার ডিসেম্বরে তাপমাত্রা তার চেয়ে বেশি ছিল। জানুয়ারিতে দেশে স্বাভাবিক তাপমাত্রা থাকে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ মাসেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।


আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, চলতি মাসে এক থেকে দুইটি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা কম বলে জানান আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক। তিনি বলেন, ২০২৩ সালটি ছিল উষ্ণ বছর। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছিল উষ্ণ আবহাওয়া। কোথাও কোথাও রেকর্ড গরম পড়েছে। এল নিনো (জলবায়ুর একটি বিশেষ ধরন) একটি নতুন ধরন নিয়েছে। এর প্রভাবেই আবহাওয়ার এ অবস্থা।

আবওয়াবিদরা বলছেন, জানুয়ারি দেশের শীতলতম মাস। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এ মাসে শৈত্যপ্রবাহ হবে। এল নিনোর প্রভাবে এবার তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সংখ্যা কম হবে।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ