সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী

রাজধানীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের গাড়িতে আগুন, গুলিবিদ্ধ ২

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর মিরপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে কচুক্ষেত এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি এবং পুলিশের লেগুনায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এসময় গুলিবিদ্ধ হয় আল আমিন ও রুমা বেগম নামে দুই শ্রমিক।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার লিমা খানম।

তিনি বলেন, ‘কচুক্ষেত এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি গাড়িতে এবং পুলিশের একটি লেগুনায় আগুনের ঘটনা আছে। গাড়ি দুটির আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।’

মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে একজন বহিরাগত ব্যক্তি এ আগুন দেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

জানা গেছে, বেতন ভাতার দাবিতে ডায়না নামে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় নামেন। এ সময় পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এর এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের দুটি টহল গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ডায়না গার্মেন্টসের শ্রমিকরা বিভিন্ন দাবিতে মিরপুর ১৪ নম্বর কচুক্ষেত সড়কে বিক্ষোভ করে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী শ্রমিকদের শান্ত করার চেষ্টা করলে তাদের ওপর ইটপাটকেল ছোঁড়া হয়। আত্মরক্ষায় পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

এসময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী কঠোর অবস্থানে যায়। পুরো এলাকা বন্ধ করে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পরিস্থিতি এখনো থমথমে।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ