সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

ধ্বংসযজ্ঞে ঝুঁকির মধ্যে গাজাবাসীর জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব

গাজা শহরে বিস্তৃত ধ্বংসযজ্ঞের কারণে বহু আবাসিক ভবন ধ্বংসের পথে। উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলো এখন ঢালু ছাদ ও ঝুকপূর্ণ ভবনের মধ্যে বসবাস করছে। যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে। জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তা বিপন্ন। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকি রয়েছে। এই পরিস্থিতি ফিলিস্তিনিদের মানবিক বিপর্যয়ের এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং মতে কোনো ভবনের ফাউন্ডেশনে যদি কোনো বিচ্যুতি দেখা দেয়, তা মানে ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ভাবুন, গাজায় এখন কতগুলো ভবন আছে যেগুলো পতনের পথে! কারণ, এই বাড়ি ও ভবনগুলিতে প্রচুর বিস্ফোরক হামলা হয়েছে।

একটি আবাসিক ভবন রয়েছে, যার মোট দশটি তলা: তার মধ্যে পাঁচটি তলা মাটির নিচে, আর পাঁচটি তলা উপরে। এই ভবনে এখন বহু ফিলিস্তিনী বসবাস করছে কঠিন মানবিক পরিস্থিতির মধ্যে। কাহলুত পরিবার, যারা পূর্ব গাজা থেকে উচ্ছেদ হয়েছে, এখন এমন একটি ভবনের ঢালু ছাদের উপর বসবাস করছে, যা কখনো ধ্বংস হয়ে যেতে পারে—মোটামুটি একটি টাইম বোমার মতো।

একজন বাসিন্দা বললেন: “আমাদের ঘর ধ্বংস হয়েছে, আর কোথাও আশ্রয় পাইনি। এখানে একটি বড় বিল্ডিং আছে, সাত তলা সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত। আমরা এখন অষ্টম তলায় আছি। এটি অনেকটাই ঢালু। আমরা এখানে অনেক পরিশ্রম করি—পানি, খাবার বের করতে, সিঁড়ি ও ছাদ ঠিক করতে। আর আমাদের শিশুদের ব্যাপারে ভয় হয় যে তারা পড়ে যেতে পারে।”

ফিলিস্তিনিরা আগে ভয় করতেন বোমা তাদের মাথার উপড়ে আছেড়ে পড়ার আর এখন ভয় পান টাইম বোমা সদৃশ যে ভবনের মধ্যে থাকেন তা ধসে পড়ার। উদাহরণস্বরূপ, বেলাওয়ী পরিবারের বাড়ির ছাদ ধসে হয়েছে। এতে একজন নারী নিহত হয়েছে এবং অনেকে আহত। একজন বলেন:

“ছাদ দেখুন, সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি তা মজবুত করতে। আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করুন। আমি চাই আগামীকাল ছাদ পরিষ্কার করে আমরা নিরাপদে বসতে পারি।”

এই ছাদ ও ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলো এখন ফিলিস্তিনিদের জন্য বড় বিপদের উৎস। এগুলোর কারণে নতুনভাবে মৃত্যুর ও আহতদের সংখ্যা বাড়তে পারে।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ