সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

জাতিসংঘ মহাসচিবের বৈঠকে কেন নেই ইসলামি দলগুলো?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| হাসান আল মাহমুদ ||

সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে গেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। চার দিনের সফরে তিনি লাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতারে যোগ দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। সফরকালে জাতিসংঘ মহাসচিব দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে দেশের রাজনীতি, সংস্কার প্রক্রিয়া এবং আগামী নির্বাচনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়। 

গত শনিবার (১৫ মার্চ) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এই বৈঠকে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী ছাড়া ইসলামি রাজনৈতিক কোনো দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অনলাইন ও অফলাইনে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে জাতিসংঘ কি ইসলামি দলগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে না? 

এ ব্যাপারে কয়েকটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছে আওয়ার ইসলাম। 

খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, ‘আমার মনে হয় রমজান মাসতো, তাই আমন্ত্রণ সেভাবে পাইনি। আমরাও ব্যস্ত ছিলাম। বা উনারা সেভাবে আমন্ত্রণ দিতে পারেনি। এর মধ্যে হয়তো এরকম একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে।’

আমন্ত্রণ দেয়নি বা দিতে পারেনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, আমাদের দেশে তো অনেক সংকট। তাই সমস্ত সংকটের মোকাবেলা সকল রাজনৈতিক দল ও উপদেষ্টা মহলের সম্মিলিত পরামর্শে করা উচিত। সেজন্য উপদেষ্টা পরিষদকে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। এবং তারাও যেন ইসলামিক-অনৈসলামিক সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে, সেটাই আমরা মনে করি।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘১৫ তারিখের যে প্রোগ্রামটা ছিল সে বিষয়ে আমরা জানতাম না। আমাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কল দিয়েছিল, সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে ইফতার মাহফিলের আমন্ত্রণনামা দিয়েছে। পরে আমি জানতে পারি, জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক দুইটা। তাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাকে কল করে বলি যে, প্রোগ্রামতো জানলাম দুইটা। আমাকে তো ইফতারের দাওয়াত দিচ্ছেন। দুপুরে যে আরেকটা প্রোগ্রাম? আমাকে জানালো হলো যে, ১৫ তারিখ দুপুরের প্রোগ্রামটা জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় হচ্ছে, আমাদের ব্যবস্থাপনায় নয়।‘ 

এদিকে হেফাজেত ইসলাম বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিভিন্ন সংলাপে স্বতন্ত্রভাবে আমন্ত্রণ পেলেও এখানে আমন্ত্রণ পায়নি। এ প্রসঙ্গে হেফাজতের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদেরকে দাওয়াত দিলে সাড়া দিতাম। কিন্তু আমন্ত্রণ পাই নাই।’ এই আয়োজনকে ‘গণতান্ত্রিক সিস্টেমের পরিপন্থী কাজ’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ