সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎অতিবৃষ্টি হলে যে দোয়া পড়বেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন, চলছে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই

ডোপ টেস্টে চাকরি হারিয়েছেন মাদকাসক্ত ১১৬ পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

২০২০ সালে পুলিশকে মাদকমুক্ত করতে ডিএমপিতে ডোপ টেস্ট (মাদকাসক্ত চিহ্নিতের পরীক্ষা) চালু হয়। এ সময় ডোপ টেস্টে মাদকাসক্ত চিহ্নিত হওয়ায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ১১৬ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। মাদকাসক্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন মোট ১২৬ জন।

এদের মধ্যে আটজনের বিচার প্রক্রিয়ার কাজ চলছে। ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই একজন মারা গেছেন। অন্যজন অবসরে চলে যান।

জানা যায়, ডোপ টেস্টে এ পর্যন্ত ১২৬ পুলিশ সদস্যের মাদক নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে বেশি পজিটিভ হয়েছেন পুলিশ কনস্টেবলরা। শনাক্ত হওয়া ১২৬ পুলিশ সদস্যের মধ্যে ৯৮ জনই কনস্টেবল। একজন পুলিশ পরিদর্শক, ১১ জন এসআই, একজন সার্জেন্ট, সাতজন এএসআই ও আটজন নায়েক।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১০ মার্চ থেকে ২০২২ সালের ২৭ জুলাই পর্যন্ত ডোপ টেস্টে ১২০ জন পুলিশ সদস্যকে মাদকাসক্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ছয়জন পুলিশ সদস্য মাদকাসক্ত হিসেবে শনাক্ত হন।

ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, বাংলাদেশ পুলিশই প্রথম ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশ সদস্যদের যাকেই সন্দেহ হয়েছে তারই ডোপ টেস্ট (মাদকাসক্তি পরীক্ষা) করানো হয়েছে। ডোপ টেস্টে ধরা পড়লে তাদের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, এখনও সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যকে এই ডোপ টেস্ট করা হয়। অনেকের চাকরি চলে যাওয়ায় পুলিশে মাদকাসক্তের সংখ্যা কমে গেছে। এই ডোপ টেস্ট অব্যাহত থাকবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ