বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে কওমি মাদরাসা ২৫ হাজার, শিক্ষার্থী প্রায় ৭০ লাখ হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত

সাত মাসে রপ্তানি আয় ৩২.৪৪৭ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩২ দশমিক ৪৪৭ বিলিয়ন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার সমান।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে রপ্তানি উন্নঢন ব্যুরো (ইপিবি)।

সাত মাসের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২.৪৩৭ বিলিয়ন ডলার।
জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে প্রবৃদ্ধি কিছুটা পিছালো। এ সময়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়ালো ৯.৮১ শতাংশ। আগের মাসে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৫৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে চলতি বছরে ছুটতে থাকা প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা কমলো।

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান বাজার ইউরোপে যুদ্ধের দামামা আর বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই চলতি বছরের শুরু থেকে রপ্তানি আয়ে ভাল খবর দিয়ে আসছিল। বাড়ছিল আয়। এ সময়ে দেশে ডলারের তীব্র সংকট চলছে। এই সংকটের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছিলো রপ্তানি আয়ে। বাড়ছিল প্রতি মাসেই। এর মধ্যে রপ্তানি আয়ের কার্যাদেশ কিছুটা কমেছিল।

রপ্তানিকারকরা বলছিল, মার্চের দিকে রপ্তানি আয় কমে আসতে পারে। কিন্তু তার আগেই জানুয়ারি মাসে কিছুটা কমলো। যদিও চলতি বছরের প্রথম সাত মাস জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসের জন্য যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তার চেয়ে কমেনি। পাশাপাশি আগের বছরের চেয়ে বেশি আছে প্রায় দশ শতাংশ।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫৮ বিলিয়ন ডলার। আর জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২.৪৩৭ বিলিয়ন ডলার।

দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাক কমলেই মোট রপ্তানি আয়ে ঝাঁকুনি লাগে। তথ্য বলছে তৈরি পোশাকের রপ্তানি কিছুটা কমার কারণে মোট রপ্তানি আয়ে এর প্রভাব পড়েছে। জানুয়ারি শেষে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৪.৩১ শতাংশ। ডিসেম্বরে এ হার ছিল ১৫.৫৬ শতাংশ।

জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে মোট ২৭.৪১৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫০ শতাংশ। আর ডিসেম্বর মাসে এ হার ছিল ৮৪.২০ শতাংশ। মূলত তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় কমার কারণেই কমেছে মোট রপ্তানি আয়।

জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে অন্যান্য প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে হিমায়িত মৎস্য ২৯২.৬৫ মিলিয়ন ডলার, কৃষিজাত পণ্য ৫৫৫.২৭ মিলিয়ন ডলার এবং পাট ও পাটজাত পণ্য ৫৪৮ মিলিয়ন ডলার।

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ