বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পুকুরে গোসলে নেমে প্রাণ গেল দুই মাদরাসা ছাত্রের দুই হিন্দু অনাথ ভাইকে মানুষ করে বিয়ে দিলেন মুসলিম দম্পতি বিজয় দিবসে ৮ হাজার ২৯৯ বন্দিকে মুক্তি দিলো তালেবান সরকার ইউপি নির্বাচনে ফের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন রফিকুজ্জামান অনু নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি চলছে জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফুটপাত দখল করে ব্যবসা নয়, নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত সংসদ মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’ 

সহজে তাকওয়া হাসিলের উপায়: হজরত ইবনে উমর রা.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের।।

হজরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রাজিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তিনি বলেন,لَا يَبْلُغُ الْعَبْدُ حَقِيقَةَ التَّقْوَى حَتَّى يَدَعَ ‌مَا ‌حَاكَ ‌فِي ‌الصَّدْرِ -অন্তরে যেসব সন্দেহে আসে তা ছাড়তে না পারলে কোনো বান্দা পরিপূর্ণ তাকওয়ার স্তরে পৌঁছতে পারবে না।

লেখক বলেন, এই উপদেশটি হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস শরিফ থেকে নেওয়া। হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয় হালাল (বিষয়াবলি) সুস্পষ্ট। হারামও (বস্তুসমূহ) সুস্পষ্ট। হালাল-হারামের মাঝামাঝি হলো, সন্দেহযুক্ত বস্তু। যে সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ জানে না। অতএব যে সন্দেহযুক্ত জিনিসসমূহ থেকে বেঁচে থাকবে, সে তার দীন এবং ইজ্জতকে হেফাজত করতে পারবে। আর যে সন্দেহযুক্ত জিনিসের পিছনে পড়লো, সে মূলত হারামেই পতিত হয়ে গেলো।’

লেখক বলেন, সন্দেহযুক্ত বস্তু দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, যেসব বিষয়ে আলেমগণ হালাল না হারাম উভয় দিকে মতামত প্রদান করেছেন। তা পোশাক-পরিচ্ছেদে হতে পারে। খাবার-দাবারে হতে পারে। মানুষের জীবন যাপনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও হতে পারে। যারা প্রকৃত মুত্তাকি তাঁরা এসব থেকেও নিজেকে বাঁচিয়ে রাখেন।

এই বিষয়েই আরেকটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যা তোমার মধ্যে সন্দেহের উদ্রেক হয়, তা তুমি পরিহার করো। যা সন্দেহ নেই, তা গ্রহণ করো।’

লেখক বলেন, এই বিষয়ে আমাদের আসলাফ থেকেও উপদেশ বর্ণিত হয়েছে। তাকওয়ার উপরের স্তরে পৌঁছার জন্য তাঁরাও বিভিন্ন তরিকা বর্ণনা করেছেন। হজরত হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন, ‘মুত্তাকিগণ হারামে লিপ্ত হয়ে যাওয়ার ভয়ে যতোদিন অনেক হালাল কাজ করা থেকে বিরত থাকবে, ততোদিন তাঁরা তাকওয়ার উপর থাকবে।’

হজরত সুফিয়ান বিন উয়ায়না রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন, ‘বান্দা কখনো ঈমানের পরিপূর্ণে স্তরে পৌঁছতে পারবে না যতোক্ষণ না তার মাঝে এবং হারামের মধ্যে হালালকে পর্দা হিসাবে গ্রহণ না করবে। এবং গুনাহ এবং গুনাহের সাদৃশ্য এমনসব বস্তুকে পরিহার না করবে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ