রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নাঙ্গলকোটে ব্যতিক্রমী সীরাত মাহফিল ও কুইজ প্রতিযোগিতা বৃহস্পতিবার জামিয়া গহরপুরের তাকমিল জামাতের শিক্ষার্থীর ইন্তেকাল ডেঙ্গুতে এক দিনে বছরের সর্বোচ্চ আক্রান্ত, মৃত্যু ৩ ‘ই-কমার্সে জালিয়াতি বন্ধ করতে ৩ ধাপে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার’  গুম প্রতিরোধে বাতিল অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার দাবি খেলাফত মজলিসের দুর্যোগসহ জরুরি পরিস্থিতিতেও দেশে খাদ্যের ঘাটতি হবে না: খাদ্যমন্ত্রী ‘বাদপড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে’  আগামী শিক্ষাবর্ষেই দেশজুড়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু হবে: ববি হাজ্জাজ হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া আরও কমানোর পরিকল্পনা সরকারের এবার নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

মন্ত্রণালয়-দপ্তরের কাছে ১৮৯৩ কোটি টাকা পায় বিদ্যুৎ বিভাগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বিল বাবদ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কাছে ১ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা পায় বিদ্যুৎ বিভাগ। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ জানান, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কাছে বিদ্যুৎ বিভাগের পাওনা ১ হাজার ৮৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এরমধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে পাওনা ৯০৫ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৩৯৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

তিনি জানান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে ৮৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, জননিরাপত্তা বিভাগের কাছে ৬৪ কোটি ২২ লাখ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে ৬৩ কোটি ৬১ লাখ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কাছে ৪৩ কোটি ৫৬ লাখ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে ৩৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা পায় বিদ্যুৎ বিভাগ।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থা নিয়মিতভাবে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় বিপুল অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া আছে। তবে তদারকি জোরদার করে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করায় গত কয়েক বছরে বিদ্যুৎ বিলের বকেয়ার পরিমাণ কমানো সম্ভব হয়েছে।’

বিলের বকেয়া আদায়ে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া কমানোর জন্য পর্যায়ক্রমে সব গ্রাহককে প্রিপেইড/স্মার্ট মিটারের আওতায় আনা হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫১ লাখ ৭ হাজার ৪৫২টি প্রি-পেইড/স্মার্ট মিটার স্থাপন করা হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে আরও ২০ লাখ প্রি-পেইড/স্মার্ট মিটার স্থাপন করা হবে।’

সরকারদলীয় অপর সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন নসরুল হামিদ বলেন, ‘২০০৯-১০ থেকে ২০২১-২২ অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ২৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। এরমধ্যে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ হয়েছে ৯ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার।’

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশগুলো জ্বালানি সংকটে আছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতও এর বাইরে নয়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশ বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার ও পরিকল্পিত লোডশেড করার মাধ্যমে সংকট উত্তরণের চেষ্টায় আছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী কয়লাভিত্তিক নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো গ্রিডে যুক্ত হওয়াসহ সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে অচিরেই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে।’

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ