|| আব্দুল্লাহ আফফান ||
ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনের কলঙ্কময় অধ্যায় সুদ। সুদ ব্যবসা করে ধনী হয় আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। গরিব হয় নিঃস্ব। এর অভিশাপে ধংস হয়েছে বহু পরিবার। ইসলাম সুদের বদলে করজে হাসানাকে প্রাধান্য দিয়েছে। উৎসাহ দিয়েছে।
ব্যবসার জন্য এক লক্ষটাকা সুদে ঋণ নেয় সুনামগঞ্জের এক যুবক। ৩ লক্ষ টাকা পরিশোধ করার পরেও সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা ঋণ রয়ে যায়। মানসিক চাপে ওই ব্যক্তি ফেসবুকে সুইসাইড নোট পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটা গত বৃহস্পতিবারের।
সুদের অভিশাপ থেকে সমাজ কীভাবে মুক্ত হবে এ বিষয়ে কথা বলেছেন রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়ার শিক্ষক ফাহিম সিদ্দিকী।
তিনি বলেছেন, মহাজনী সুদ ও সুদ ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা সমাজের অভিশাপ। মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এ- কারবার চালানো হয়। এর অভিশাপে বহু পরিবার ধংস হয়ে গেছে। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো করজে হাসানা থেকে শক্তি অর্জন করে অভাবের তাড়না থেকে মুক্তি পেতে পারে। সেই সঙ্গে যারা অসহায়ত্বের শিকার হয়ে সুদে ঋণগ্রহণ করে তাদেরকে সুদ নামক ভয়ানক অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে পারে। আল্লাহ তায়ালা সুদকে হারাম করেছেন। পবিত্র কোরআনের ৬টি আয়াতে মোট ১২টি স্থানে করজে হাসানার কথা উল্লেখিত হয়েছে। ইসলামে করজে হাসানা’র প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। করজে হাসানা হচ্ছে- সময়মতো ঋণ পরিশোধ করা হবে, কিন্তু দাতা কোনো অতিরিক্ত অর্থ নিতে পারবে না। আর করজে হাসানা দাতার জন্য তো অগণিত সওয়াবের ওয়াদা আছেই।
‘করজে হাসানা হতে পারে দারিদ্র্য বিমোচনের ব্যাপকভিত্তিক শক্তিশালী মডেল এবং সুদি ঋণের উত্তম বিকল্প। তাছাড়া করজে হাসান বা সুদমুক্ত ঋণ প্রদানের মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র লোকদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। যারা অত্যন্ত অসহায়ত্বের শিকার তাদেরকে করজে হাসানা প্রদান করে ছোটখাটো কোনো ব্যবসা ধরিয়ে দিয়ে দারিদ্র বিমোচনের ক্ষেত্রে সুফল বয়ে আনা যায়। যেমন পোশাক তৈরি, এমব্রয়ডারি, খাদ্য তৈরি, মোটরসাইকেল মেকানিক, ছাগল পালন, হাঁস-মুরগির খামার, কাঠের সরঞ্জাম তৈরি ইত্যাদি।’
তিনি আরও বলেছেন, ব্যক্তি পর্যায়ে করজে হাসানা চালু থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে করজে হাসানা প্রদানের সংস্কৃতি এখনও দেশে চালু হয়নি। বিভিন্ন ইসলামি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ট্রাস্ট বিনা সুদে ছোট ও মাঝারি আকারের ঋণ পà