নূর মুহাম্মদ রাহমানী।। ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। এতে আছে মানবজীবনের সবকিছুর সমাধান। এর বাইরে গিয়ে নতুন কিছুতে জড়ানোর অর্থ হলো আল্লাহ তায়ালা তার প্রদত্ত দ্বিন পূর্ণ করেননি এবং তার নেয়ামতও পূর্ণ করেননি। অথচ আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে পরিষ্কার ঘোষণা করেন, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বিনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের ওপর আমার নেয়ামত পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্য দ্বিন হিসেবে পছন্দ করলাম ইসলামকে।’ (সুরা মায়েদা: ৩)।
অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা জীবন পরিচালনার যত দিক আছে সবগুলো নিয়ে কিছু কিছু মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তিনি মহাগ্রন্থ পবিত্র কোরআন নাজিল করে ঘোষণা করেন, ‘আর আমি আপনার প্রতি কিতাব নাজিল করলাম প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যাস্বরূপ।’ (সুরা নাহল : ৮৯)। অর্থাৎ এ কোরআনে তিনি দ্বিনের মূলনীতিগুলো খুলে খুলে বর্ণনা করে দিয়েছেন।
আর সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে প্রেরণ করে ঘোষণা করেন, ‘তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব : ২১)। নবীজির জীবনের সবকিছুতে রয়েছে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। তিনি দীর্ঘ ২৩ বছর সময়ে অনেক ত্যাগ-তীতিক্ষার পরিক্ষা দিয়ে আল্লাহর বাণী মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছিয়েছেন।
এখন দ্বিন পরিপূর্ণ। মানবজীবনের সব ব্যাপারে তার নির্দেশনা বিদ্যমান। তিনি শুধু নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত নয়; বরং ছোট থেকে ছোট কোনো বিষয় যেমন প্রস্রাব-পায়খানা কিভাবে করতে হবে, চুল কিভাবে কাটতে হবে এমন সব কিছু উম্মতকে শিখিয়েছেন। এজন্য আল্লাহ তায়ালা নবীজির নির্দেশনা মান্য করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘আর যা কিছু তোমাদের রাসুল দান করেন তা গ্রহণ কর আর যে জিনিস হতে নিষেধ করেন, তার থেকে বিরত থাক। আর আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তায়ালা কঠিন শাস্তি প্রদানকারী।’ (সুরা হাশর : ৭)।
যে কাজ নবী, খোলাফায়ে রাশেদিন ও সাহাবিদের থেকে প্রমাণিত নয় তা বিদআত যদি একথা সহিহ হয় যে, শেষনবীর মাধ্যমে দ্বিন পরিপূর্ণতা লাভ করেছে, তার জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত আমাদের জন্য আমলযোগ্য, তার অনুসরণ-অনুকরণের নামই দ্বিন এবং তার সুন্নত উপেক্ষা করার নাম ধর্মহীনতা। তাহলে এটাও স্বীকার করতে হবে যে, মানবজীবনের প্রতিটা কাজ রাসুলের আদর্শ ও সুন্নত অনুসারে হলে সেটা দ্বিন হবে, অন্যথায় সেটি দ্বিন নয়।
যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো ইবাদত করে যার অস্তিত্ব নবীযুগেও ছিল না, সাহাবিদের যুগেও ছিল না, এখন সে যদি এ ইবাদতকে নেক কাজ ও দ্বিন মনে করে তাহলে সে স্পষ্ট ধোঁকা ও চরম ভুলে নিমজ্জিত।
এ কাজ কোনোভাবেই দ্বিন হতে পারে না; বরং তা হবে বিদআত বা দ্বিনের নামে নব আবিষ্কৃত বিষয়। বিশিষ্ট সাহাবি হজরত হুজাইফা ইবনে ইয়ামান (রা.) বলেন, ‘যে ইবাদত রাসুলের সাহাবিরা করেননি, এ কাজ তোমরাও করো না। কেননা পূর্ববর্তী লোকেরা পরবর্তীদের জন্য কোনো ত্রুটি রেখে যাননি, যা পরবর্তীদের পূর্ণ করতে হবে। অতএব হে মুসলমানগণ, আল্লাহকে ভয় কর এবং পূর্ববর্তী লোকদের তরিকা অবলম্বন কর।’ (আল-ইতিসাম, আল্লামা শাতেবি কৃত : ২/৩১০)।
বিদআতি দ্বিনকে অসম্পূর্ণ এবং শেষনবীকে খেয়ানতকারী মনে করে এখন কেউ যদি এমন কাজ করে যা রাসুল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের বরকতময় যুগে ছিল না, এরপরও সে লোক একে নেক কাজ ও দ্বিন এবং সওয়াবের কাজ মনে করে তাহলে সে কার্যত একথারও দাবিদার যে (আল্লাহ মাফ করুন) আল্লাহর দ্বিন অসম্পূর্ণ।
এতে এ নেক কাজটির বর্ণনা নেই। আজ আমিই তা বুঝতে পারলাম। সঙ্গে সঙ্গে সে একথাও স্বীকার করে নিচ্ছে যে, সওয়াবের যে বিষয়টির ইলম আজ আমার অর্জন হলো (আল্লাহর পানাহ) নবী ও সাহাবিদের মতো পবিত্র জামাতেরও এ ইলম ছিল না। অথবা ইলম তো ছিল; কিন্তু উম্মতের কাছে পৌঁছাতে গিয়ে তারা কৃপনতা করেছেন। আল্লাহর বাণী পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ত্রুটি করেছেন কিংবা খেয়ানতের আশ্রয় নিয়েছেন। অথচ নবী (সা.)-এর ব্যাপারে এমন ধারণা রাখা স্পষ্ট কুফরি।
মোটকথা, ইবাদত, নেক কাজ এবং যেকোনো দ্বিনি কাজ করতে গেলে পরখ করতে হবে। দেখতে হবে যে, নবী (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের এ ব্যাপারে কী আমল ছিল? যদি আমলটির প্রমাণ তাদের থেকে পাওয়া যায় তাহলে তা সুন্নত। এতে সওয়াব হবে এবং কাজটি দ্বিনি কাজ বলে গণ্য হবে। আল্লাহ ও নবীজি (সা.)-এর সন্তুষ্টির কারণ হবে।
কিন্তু যদি এ কাজের কোনো প্রমাণ নবীজি (সা.)-এর সিরাত-সুন্নতে না থাকে, সাহাবায়ে কেরামের আমলেও না থাকে, তাহলে কাজটি বাহ্যিকভাবে যতই সুন্দর ও চমৎকার হোক, নেক কাজ বলে মনে হোক, তা কখনই সুন্নত হবে না, দ্বিন হবে না; বরং তা বিদআত ও পথভ্রষ্টতা বলে গণ্য হবে। আল্লাহর রোষানলের কারণ হবে। রাসুলের অসন্তুষ্টির কারণ হবে।
যেমন ধরুন কেউ মুরগি জবাই করতে চায়। এখন সে যদি ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ এর পরিবর্তে দরুদ শরিফ পড়ে ছুরি চালায় তাহলে সে মুরগি খাওয়া হালাল হবে না হারাম হবে? উত্তরে অবশ্যই বলতে হবে যে, তা হারাম হবে।
এখন জবাইকারী যদি বলেন দরুদ পড়ে মুরগি জবাই করলাম তারপরও তা হারাম হবে? আপনারা দরুদের অস্বীকারকারী। গোস্তাখে রাসুল। তাহলে আপনাকে বলব, ভাই, আমরা দরুদের অস্বীকারী নই, কিন্তু যেখানে আপনি দরুদ পড়ার কথা বলছেন তা দরুদ পড়ার উপযুক্ত স্থান নয়। নবী (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম এ স্থানে দরুদ পড়েননি।
মোল্লা আলি কারি (রহ.)-এর মতে রাসুল (সা.)-এর যুগে ছিল না, পরবর্তী সময়ে এমন কিছু সৃষ্টি করার নাম বিদআত।’ দেখতে শরিয়তসম্মতই মনে হয় দ্বিনের মধ্যে এমন নব আবিষ্কৃত পদ্ধতি, রীতিনীতিই বিদআত বলে গণ্য। এতে উদ্দেশ্য থাকে আল্লাহরই ইবাদত ও সন্তুষ্টি। এটাই মূলত তার আসল পদস্খলন।
কারণ, বিদআতি তার ধারণামতে ইবাদতই করছে। এজন্য ওলামায়ে কেরাম কুফর, শিরক এ সবকিছুর মধ্যে বিদআতকে মারাত্মক গুনাহের মধ্যে গণ্য করেছেন। মহানবী (সা.) উম্মতকে বিদআত থেকে খুব সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রত্যেক নব আবিষ্কৃত বস্তু বিদআত। প্রত্যেক বিদআত পথভ্রষ্টতা আর প্রত্যেক পথভ্রষ্টতা জাহান্নামে যাবে।’ (নাসায়ি : ১৫৭৮)।
বিদআত যে ধোঁকা ও প্রতারণা এর চমৎকার একটা দৃষ্টান্ত হলো, বিদআত বাজারের জাল মুদ্রার মতো যা মানুষের সম্পদ ও ব্যবসা নষ্ট করে এবং তাদের ধোঁকায় ফেলে। অথচ তারা ধারণা করে যে, তারা খুব লাভবান হচ্ছে এবং খুব ইনকাম করছে। দিনশেষে হিসাব কষতে দেখা যাবে তারা প্রতারিত। ধোঁকাগ্রস্ত। তেমনিভাবে বিদআতও মানুষের দ্বিন, আকিদা-বিশ্বাস ও শরিয়ত বিনষ্ট করে আর তারা ধারণা করে যে, তারা সঠিক পন্থায় আছে অথচ বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়।
ব্যক্তিজীবনে বিদআতের ক্ষতি এবং তার প্রভাব ব্যক্তিজীবনে বিদআতের প্রভাব অনেক সুদূরপ্রসারী। নিম্নে এর কয়েকটি দিক দেখানো হলো-
১. বিদআতির আমল কবুল হয় না : আমল কুবল হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে নিয়তে একনিষ্ঠতা থাকা। আমলটা নবীজির অনুসরণের নিয়তে করা। মানে আমলটা শরিয়তসম্মত হওয়া। বিদআতির আমলে নবীজির অনুকরণ না থাকায় তার আমল কুবল হয় না; বরং তা প্রত্যাখ্যাত হয়। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বিনে কোনো নতুন কিছু সৃষ্টি করে যা তার মধ্যে নেই তা প্রত্যাখানযোগ্য।’ (বুখারি : ২৬৯৭)।
২. বিদআতির তওবা কবুল হয় না : সব পাপাচারীর তওবা নসিব হয়; কিন্তু বিদআতির জন্য তওবা করা কঠিন হয়ে দাড়ায়। কারণ, শয়তান এটাকে তার কাছে সুশোভিত করে তুলে। সে এটাকে আনুগত্য ও ইবাদত মনে করে। তাকিয়ে দেখে না যে, এটা গুনাহ ও অন্ধকার। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক বিদআতি থেকে তওবা প্রতিবন্ধক করে দেন।’ (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ : ১৭৪৫৭)।
৩. বিদআতিকে হাউজে কাউসার থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে: সাহল ইবনে সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেন, ‘আমি হাউজে কাউসারে সবার আগে থাকব, যে সেখানে যাবে সে তার থেকে পান করবে আর যে এখান থেকে পান করবে সে এরপরে আর কখনও পিপাসার্ত হবে না। আমার কাছে এমন কিছু লোক আসবে যাদের আমি চিনতে পারব, তারাও আমাকে চিনতে পারবে। অতঃপর তাদের মাঝে ও আমার মাঝে আড়াল করে দেওয়া হবে তখন আমি বলব, তারা তো আমার লোক। তখন বলা হবে, আপনি জানেন না এরা আপনার কত পরিবর্তন করেছে। তখন আমি বলব, যারা আমার পর পরিবর্তন করেছে তারা দূর হও দূর হও।’ (বুখারি : ৭০৫০)।
৪. বিদআতি আল্লাহ তায়ালার রোষানলে পড়ে : বিদআতি নিজেও গুনাহ বহন করে এবং যারা তার অনুসরণ করে তাদেরও গুনাহ বহন করে বেড়ায়। আল্লাহ বলেন, ‘ফলে কেয়ামতের দিন তারা বহন করবে তাদের পাপের বোঝা পূর্ণ মাত্রায় এবং তারাও পাপের বোঝা যাদের তারা অজ্ঞতাবশত বিভ্রান্ত করেছে। দেখুন, তারা যা বহন করে তা কত নিকৃষ্ট।’ (সুরা নাহল : ২৫)।
৫. ফেতনায় পড়ে যায়: বিদআতি কঠিনভাবে ফেতনায় জড়িয়ে পড়ে। ফলে আল্লাহর আজাব সে ডেকে নিয়ে আসে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যারা তার আদর্শের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদের স্পর্শ করবে, অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তাদের গ্রাস করবে।’ (সুরা নুর : ৬৩)। মানে যারা বাহ্যিকভাবে কিংবা অভ্যন্তরীণভাবে শরিয়তের বিরোধিতা করে। অন্তরে কুফুরি, নেফাকি ও বিদআত থাকে তাদের কঠিন শাস্তি গ্রাস করবে।
৫. বিদআতি মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হয়ে যায় : বিদআতি মহান আল্লাহর কাছে নিকৃষ্ট হওয়ার কারণে তাকে সম্মান করার জন্যও কঠিন ধমক এসেছে। নবীজি তাকে সম্মান করতে কঠিন ধমকের সুর উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বিদআতিকে সম্মান করল, সে যেন অবশ্যই ইসলাম ধ্বংস সাধনে সহযোগিতা করল।’ (শুআবুল ঈমান : ৯০১৮)।
সামাজিক জীবনে বিদআতের প্রভাব
সমাজে বিদআতের ছড়াছড়ির কারণে মানুষ কুরআন-সুন্নাহ স্বীকৃত প্রকৃত দিন থেকে সরে যায়। মানুষের ইলম-আমলে দিনদিন চরম ঘাটতি দেখা দিতে শুরু করে। বিদআতের কারণে সমাজে প্রধানতম দুটি সমস্যা দেখা দেয়।
১. মতবিরোধ ও বিচ্ছিন্নতা : বিদআতের কারণে মানুষের মাঝে মতবিরোধ ও বিচ্ছিন্নতার সৃষ্টি হয়। মুসলিমদের ঐক্য বিনষ্ট হয়। অনেক সময় তা শত্রুতা পর্যন্ত গড়ায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয় যারা তাদের দ্বিনকে বিচ্ছিন্ন করল এবং দল-উপদলে বিভক্ত হলো, তাদের সঙ্গে আপনার কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের বিষয়টি তো আল্লাহর নিকট।’ (সুরা আনআম : ১৫৯)।
এ ছাড়া আল্লাহ তায়ালা বিদআত ও বিদআতির অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আর তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল এবং পৃথক পৃথক হয়ে গেল তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ আসার পরও। আর তাদের জন্য রয়েছে বড় আজাব।’ (সুরা আলে ইমরান : ১০৫)।
২. বিদআতের কারণে সুন্নত উঠিয়ে নেওয়া হয় : মহান আল্লাহর কাছে নেক আমল কবুল হওয়ার শর্ত হচ্ছে ইখলাস-একনিষ্ঠতা ও সুন্নতের পূর্ণ অনুসরণ। আর বিদআত হচ্ছে সুন্নতের বিপরীত। এ বিদআতকে দ্বিন মনে করে যথারীতি পালন করার কারণে সুন্নতের আমল উঠে যায়। কেয়ামত পর্যন্ত সে সুন্নত আর ফিরে আসে না। হাসসান ইবনে সাবেত (রা.) বলেন, ‘যখনই কোনো জাতি দ্বিন সম্পর্কে কোনো বিদআত সৃষ্টি করে তখনই আল্লাহ তায়ালা তাদের মধ্য হতে সে পরিমাণ সুন্নত উঠিয়ে নেন। অতঃপর আর কেয়ামত পর্যন্ত সেই সুন্নত আর তাদের প্রতি ফিরিয়ে দেন না।’ (দারেমি : ৯৯)।
তাই নবীজির সুন্নত অনুসারে আমাদের জীবন সাজাতে হবে। যারা বিদআতে লিপ্ত তাদের দূরে ঠেলে না দিয়ে বুঝাতে হবে এবং দোয়া জারি রাখতে হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে বিদআত থেকে বেচে থাকার তওফিক দান করুন। আমিন।
লেখক: মুহাদ্দিস ও প্রাবন্ধিক
-এটি