মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক ‘২০ জুন থেকে ‘ঢাকা–নারিতা–ঢাকা’ রুটে বিমানের টিকিট বিক্রি শুরু হবে’ 

ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন ডিআইজি মিজান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বরখাস্ত হওয়া ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) মিজানুর রহমান আত্মপক্ষ সমর্থনে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তা বাধ্য হয়ে দিয়েছেন বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আজ বুধবার ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলার অভিযোগের বিষয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য দাখিল করেন।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি মামলার আত্মপক্ষ শুনানিতে উভয় আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। সেদিন বিচারকের জিজ্ঞাসায় মিজান লিখিত বক্তব্য দাখিল করবেন বলে জানান। সেই অনুযায়ী বিচারক শেখ নাজমুল আলম আজ বুধবার লিখিত বক্তব্য দাখিলের দিন ধার্য করেন।

লিখিত বক্তব্যে ডিআইজি মিজানের আইনজীবী ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর এহসানুল হক সমাজী বলেন, ডিআইজি মিজান অস্বীকার করেন না যে তিনি ঘুষ দেননি।

লিখিত বক্তব্যেও তিনি তা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি তা দিতে বাধ্য হয়েছেন। দণ্ডবিধির ১৬৫ (২) অনুযায়ী কেউ ঘুষ দিতে বাধ্য হলে সেটা অপরাধ নয়। অভিযোগের সত্যতা না থাকার পরও ঘুষ না দিলে তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট দেবেন বলে হুমকির কারণে তিনি ঘুষ দিতে বাধ্য হন।

এর আগে মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। মামলাটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৮ মার্চ অভিযোগ গঠন করেন আদালত। একই বছরের ১৪ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। ওই বছর ১৯ আগস্ট শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।

মামলার চার্জশিটে বলা হয়, দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ডিআইজি মিজানের জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান করছিলেন। অনুসন্ধান চলাকালে ২০১৯ সালের ৯ জুন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় সাংবাদ প্রকাশিত হয়, মিজান অনুসন্ধান সংশ্লিষ্টে এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন।

তৎক্ষণিক দুদক একটি তদন্ত কমিটি করে তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পায়। এরপর এ সংক্রান্তে তিন সদস্যের অনুসন্ধান কমিটিও ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মামলাটি রজু করা হয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ