বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ’ নেত্রকোণা জেলা কমিটি গঠন সম্পন্ন সিঙ্গাপুর থেকে ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার দাবি না মানলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তাপ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত: অর্থমন্ত্রী দেশ চলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে, ঘৃণায় নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে আরজাবাদে ছাত্র জমিয়তের নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক

পাঁচ মাস পরের বাজারদরে মূল্য নির্ধারণ করে ধান বিক্রি করা বৈধ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আমাদের এলাকাতে ধান উঠলে দেখা যায় অনেক কৃষক তাদের ধান দিয়ে বাজারে ব্যবসায়ীর কাছে এই শর্তে বিক্রি করে যে, আজ থেকে পাঁচ মাস পরে ধানের যে বাজারদর থাকবে তাই এর মূল্য।

এইভাবে লেনদেন করে কৃষক ও ব্যবসায়ী উভয়েই লাভবান হন। কেননা, পাঁচ মাস পরের বাজারদর মূল্য নির্ধারণের কারণে কৃষক মূল্য বেশী পান।

অপরদিকে ব্যবসায়ী এ সময়ে ঐ ধান ব্যবসায় খাটিয়ে লাভবান হন। এখন আমার জানার বিষয় হলো, পরবর্তী সময়ের বাজারদর হিসাবে মূল্য নির্ধারণ করা হবে এমন চুক্তিতে ক্রয়-বিক্রয় করা বৈধ কিনা? যদি বৈধ না হয় তাহলে এর কোন বিকল্প ব্যবস্থা শরীয়তে আছে কিনা? জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর কেনাবেচা বৈধ হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো, বিক্রি চুক্তির বৈঠকেই মূল্য সুনির্দিষ্ট হওয়া। বৈঠকের শেষ পর্যন্তও যদি মূল্য চূড়ান্ত না হয় তাহলে ঐ ক্রয়-বিক্রয় শুদ্ধ হয় না। সুতরাং আপনাদের এলাকার ঐ ধরনের কারবারও চুক্তির সময় মূল্য নির্দিষ্ট না হওয়ার কারণে তা নাজায়েয। এ কারবার সহীহভাবে করতে চাইলে বিক্রয়চুক্তির সময়েই পণ্যের মূল্য চূড়ান্ত করে নিতে হবে।

এক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে ধানের মূল্য কত হতে পারে তা অনুমান করে সে হিসাবে এখনই চূড়ান্ত মূল্য ঠিক করে নিতে হবে। পরবর্তীতে বাজারমূল্য এর চেয়ে কম বা বেশী হলেও ধানগ্রহিতার উপর নির্ধারিত মূল্যই পরিশোধ করা জরুরি থাকবে।

-সুনানে তিরমিযী ১/২৩৩, আলবাহরুর রায়েক ৫/২৭৪, ফাতহুল কাদীর ৫/৪৬৭, আদ্দুররুল মুখতার ৫/১৬১, ফাতাওয়া খানিয়া ২/১৩৯।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ