সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে ৭৪ হাজার আবেদন দেশে নিয়মিত লিভার ট্রান্সপ্লান্ট চালুর দাবি সংসদে এমপি মাহবুবা হাকিমের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে শরিয়াহর প্রতিফলন নিশ্চিতের দাবি হেফাজতের চলছে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন, যেভাবে করবেন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দিল্লিতে ভবন ধসে ৩ ছাত্রের মৃত্যু, ৬ জন জীবিত উদ্ধার ‘বালিকা মাদরাসাগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন পূরণ করছে, দরকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা’ শতবর্ষী মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া ন্যায়বিচারের নীতির গুরুতর লঙ্ঘন: মাহমুদ মাদানী নেপালে আমিরে মজলিসকে অভ্যর্থনা এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলির গুগল ফরম পূরণের নতুন সুযোগ

আব্বাসের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ আরও ২ মামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজাশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজি ও ডিজিটাল আইনে আরও একটি মামলাসহ দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ভুক্তভোগী পৃথক দুই ব্যক্তি কাটাখালী থানায় এজাহার দেন।

পুলিশ রাত ৮টার দিকে সেগুলো মামলা হিসেবে রেকর্ড করেন। এর ফলে বরখাস্ত মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা দাঁড়াল তিনটি।

কাটাখালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুশ কুদ্দুশ বাদী হয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলাটি করেন।

আব্দুল কুদ্দুশ তার অভিযোগে জানান, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে কাটাখালী অটোস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় মেয়র আব্বাসের বাসভবনের কাছে নিজ জায়গায় একটি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেন। নির্মাণ কাজ শুরুর পরপরই আব্বাস তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় আব্বাসের সশস্ত্র ক্যাডাররা তার নির্মাণ সামগ্রী ভাঙচুর করেন। ফলে এরপর তিনি আর মার্কেট নির্মাণ করতে পারেননি। এরপরও আব্বাস চাঁদা পরিশোধের দাবি করে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। নিজ জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করতে না পারায় তিনি বিপুল আর্থিক ক্ষতিতে পড়েন।

অন্যদিকে কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম জনি বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আব্বাসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি করেন।

বাদী তার অভিযোগে বলেছেন, গত ২৩ নভেম্বর আব্বাসের ভাইরাল হওয়া অডিওতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকেই শুধু কটূক্তি করা হয়নি- রাজশাহীর মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে উদ্দেশ করে অসম্মানজনক নানান কটূক্তি করা হয়েছে।

বাদী অভিযোগে বলেছেন, খায়রুজ্জামান লিটন জাতীয় চার নেতার অন্যতম ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের পুত্র ও রাজশাহীর সিটি মেয়র। তার সম্পর্কে খারাপ উক্তি করায় দলের ও লক্ষ্যস্থিত ব্যক্তির অনেক সম্মানহানি হয়েছে।

কাটাখালী থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, দুটি এজাহার পেয়ে সেগুলো মামলা আকারে রেকর্ড করা হয়েছে। অন্য একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে থাকা আব্বাস মেয়রকে এ দুটি মামলায় নতুন গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানানো হবে আদালতে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ