শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা

এক রাকাতেই পুরো কোরআন শেষ করলেন যে তরুণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নামাজের এক রাকাতেই পবিত্র কোরআন খতম করেছেন সিরিয়ান বংশোদ্ভূত এক তরুণ হাফেজ। সাত ঘণ্টা ধরে নামাজ পড়ে দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ করেন আবদুর রহমান আল নাবহান নামের এ তরুণ।

ইউটিউবের এক ভিডিওতে আবদুর রহমান জানান, তিনি নামাজের এক রাকাতেই পবিত্র কোরআন খতম করেছেন। পবিত্র কোরআনে ৩০টি পারা ও ২৪০ রুকু রয়েছে। এর আয়াত সংখ্যা ৬২৩৬। দীর্ঘ সাত ঘণ্টায় তিনি মনোযোগসহ পুরো কোরআন তিলাওয়াত করেন বলে জানা ২০ বছর বয়সী।

আবদুর রহমান বর্তমানে তুরস্কের কোনিয়া শহরে বাস করেন এবং স্থানীয় সেলজু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। মূলত তিনি সিরিয়ার ঐতিহাসিক হালব শহরের অধিবাসী।

রাতেরবেলা নামাজে পুরো কোরআন খতম করা তার দীর্ঘ স্বপ্ন ছিল। কারণ ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান বিন আফফান রা. তাহাজ্জুদ নামাজের এক রাকাতে পুরো কোরআন শেষ করেছেন বলে হাদিসের বর্ণনায় এসেছে। মূলত বিখ্যাত সাহাবির এ ঘটনা তাকে অনুপ্রাণিত করে।

অবশ্য এর আগেও অনেক বার আবদুর রহমান এক রাকাতে কোরআন খতমের স্বপ্ন পূরণে চেষ্টা করেছেন। তবে তিনি বার বার ব্যর্থ হয়েছেন। তবে নিজ স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি ছিলেন অনড়।

তাই অনেক বারের ব্যর্থতা তাকে প্রস্তুত হতে সহায়তা করে। অবশ্য এক রাকাতে কোরআন খতম করে খ্যাতি পাওয়া বা ভাইরাল হওয়া তার উদ্দেশ্য নয়। বরং একমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে তা করেছেন বলে জানান তিনি।

জানা যায়, রাত ১১টায় আবদুর রহমান নিজের অনেক দিনের স্বপ্ন পূরণে নামাজে দাঁড়ান। এরপর দীর্ঘ সাত ঘণ্টা পর ভোর ৬টায় তিনি কোরআন খতম করে নামাজ শেষ করেন।

তিনি এমন সময় নির্বাচন করেন যে সময়ে ক্লান্তি ও পরিশ্রম কম হবে এবং পুরো কোরআন শেষ করা সম্ভব হবে। তাই শীতের রাতের সময়কে বেছে নেন। কারণ গ্রীষ্মকালে অল্প কাজেই ক্লান্তি ও ঘেমে যায়। তাছাড়া গ্রীষ্মের রাতের চেয়ে শীতের রাত দীর্ঘ হয়।

আবদুর রহমান জানান, এছাড়া নামাজের স্থান হিসেবে মসজিদকে বেছে নেন তিনি। কারণ ঘরে সময় নষ্টের সম্ভাবনা আছে। এছাড়াও পরিবারের কেউ তার মনোযোগ বিঘ্ন তৈরি করতে পারে। তবে নামাজ শেষ করে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধবসহ সবার জন্য দোয়া করেন তিনি। সূত্র: আল শারাক ও আল ইমারাত আল ইয়াওম

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ