বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

গুচ্ছ ঢাবিসহ চার ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম একই মাদরাসার শিক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজধানী ঢাকার ডেমরা এলাকায় অবস্থিত দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসার চার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় (২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ) দারুণ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।

মাদরাসার পাঠদান পদ্ধতি ও শিক্ষকদের আন্তরিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ ইউনিট, গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের 'বি' ইউনিট, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) এবং ঢাবির অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন একই মাদরাসার ৪ শিক্ষার্থী।

দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমাদের মাদরাসার শিক্ষকরা বেশ আন্তরিক। একাডেমিক পড়াশোনার বাইরেও ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞান পাঠদান করান।

ঢাবির খ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া শিক্ষার্থী মো. জাকারিয়া বলেন, আমাদের শিক্ষকরা আন্তরিক হওয়ায় প্রাইভেট পড়তে হয় না। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে শিক্ষকরা অতিরিক্ত ক্লাস নেন।

দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই মাদরাসায় ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) থেকে শুরু করে কামিল (স্নাতকোত্তর) পর্যন্ত পাঠদান করা হয়।

মাদরাসার ইংরেজির প্রভাষক মো. আব্দুল জলিল বলেন, সাধারণত মানুষের ধারণা মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ইংরেজিতে ভালো না। আমরা যারা এখানে পড়াই, তারা কিন্তু পাবলিক কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে পড়াশোনা করেই এখানে এসেছি। এখানে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই ২০০ নম্বরের ইংরেজি পড়ানো হয়।

এই প্রভাষক আরও বলেন, মাদরাসায় প্রতি সেমিস্টার ফাইনালের পর শিক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে আসে কি না, ঠিকমত পড়াশোনা করে কি না, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে কি না এসব বিষয়ে আলাদা করে মূল্যায়ন করা হয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ