শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’ দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমতের স্বীকৃতি পেলেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশের হজ কোটা বাড়ল আরও ৫ হাজার, মোট ৮৩ হাজার ৫০০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর, পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর হেরা গুহার আলো শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শায়খুল কুরআন ফাউন্ডেশনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ছাত্র জমিয়তের ৫৬ দিনের দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু শুক্রবার মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে শাপলা গণহত্যার বিচারকাজে রেফারেন্স বই হিসেবে ‘শহীদনামা’ গ্রহণ

সাভারে ৫ খণ্ড করা অধ্যক্ষের লাশ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সাভারে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মনের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

সোমবার দুপুরে উপজেলার বেরন এলাকার নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে।

হত্যাকারীদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাশের পাঁচ খণ্ড করা উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মন (৩৬) লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউপির বাড়াইপাড়া গ্রামের শরত বর্মনের ছেলে। তিনি মোতালেব, শামসুজ্জামান ও রবিউল ইসলাম নামে তিন ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে গত দুই বছর আগে সাভারের জামগড়া বেরন এলাকার জাহিদুল ইসলামের বাড়ি ভাড়া নিয়ে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর থেকে পার্শ্ববর্তী স্বপ্ন নিবাসে ভাড়া থেকে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

র‌্যাব-৪, সিপিসি ২-এর কমান্ডার লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খাঁন বলেন, কলেজ অধ্যক্ষ নিখোঁজের ঘটনায় গত ২২ জুলাই আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পর পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবও তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজ প্রতিষ্ঠানের ভিতরে মাটিচাপা দিয়ে দেয় হত্যাকারীরা।

এর আগে গত ১৩ জুলাই সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মন উপজেলার জামগড়া বেরন এলাকার স্বপ্ন নিবাস নামক বাসা থেকে তিনি নিখোঁজ হন। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও কোনো সন্ধান না পাওয়ায় গত ২২ জুলাই তার ছোট ভাই দিপক চন্দ্র বর্মন আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ