বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’  সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে শিক্ষক ফোরামের সম্মেলন কাল নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ২৮৯ তরুণ আলেমের নতুন উদ্যোগ, আসছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রিয় মাদরাসা’ জলাবদ্ধতা নিরসনে গলাপানিতে নেমে খাল পরিষ্কার করলেন মুহাম্মদুল্লাহ এমপি বাবুনগর মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে জমিয়তের গভীর শোক পরিবার মজবুত হলে সমাজ মজবুত হবে: মাওলানা মাহমুদ মাদানী বিএনপির মামলা প্রত্যাহার হলেও হেফাজতের মামলা বহাল: দেওনা পীর

আমার মা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সারথি: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবদান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি সবসময় বলি, আমার মা ছিলেন সবচেয়ে বড় গেরিলা। মুক্তিযুদ্ধের সারথি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি গোপনে গিয়ে ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করতেন, দিক-নির্দেশনা দিয়ে আসতেন। আমাদের বাড়িতে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকও হয়েছে।

তিনি বলেন, ছয় দফা ছেড়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা চলেও গেছেন। আমার মা তখন খুব শক্ত ছিলেন ছয় দফার পক্ষে।

আজ রবিবার ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন’ ও ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক-২০২১ প্রদান’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংসার সামলানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতেও সহযোগিতা করেছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যে পরিবারে জন্ম নিয়েছেন, পড়াশোনা করে অনেক বড় জায়গায় যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি তার জীবন দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তাকে পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন আমার মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। সংকটে-সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী ছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমার মায়ের যদি নানা রকম চাহিদা থাকতো। স্বামীর কাছে মানুষের নানা ধরনের চাহিদা, আকাঙ্ক্ষা থাকে। অনেক কিছু পাওয়ার থাকে। আমার মায়ের কিন্তু বাবার কাছে কোনো কিছুর চাহিদা ছিল না। তিনি সবসময় বলতেন, তুমি দেশের কথা চিন্তা করো। আমাদের কথা ভাবতে হবে না। প্রেরণাটাই দিয়ে গেছেন। আমার মায়ের যে অবদান রয়েছে, এ দেশের রাজনীতিতে, শুধু তাই না, বাংলাদেশের মানুষের অগ্রগতিতেও তার অবদান আছে।

স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবদান স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অসামান্য অবদান রয়েছে। আমার মা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সারাজীবন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশের মানুষের জন্য চিন্তা করতে প্রেরণা জুগিয়েছেন। রাজনীতিতে ব্যাপক সক্রিয় থাকলেও পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা গেরিলা সংগঠন বেগম মুজিবের কর্মকাণ্ড কখনো আঁচ করতেও পারেনি

এসময় সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য যারা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক প্রাপ্তদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ