বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’ দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমতের স্বীকৃতি পেলেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশের হজ কোটা বাড়ল আরও ৫ হাজার, মোট ৮৩ হাজার ৫০০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর, পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর হেরা গুহার আলো শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শায়খুল কুরআন ফাউন্ডেশনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ছাত্র জমিয়তের ৫৬ দিনের দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু শুক্রবার মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে শাপলা গণহত্যার বিচারকাজে রেফারেন্স বই হিসেবে ‘শহীদনামা’ গ্রহণ

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় চিরতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চিরতা বাংলাদেশসহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে প্রচুর জন্মে। হৃৎপিণ্ড ও যকৃতের সবলকারক, চোখের জ্যোতিবর্ধক ও জ্বর রোগে বিশেষ উপকারী চিরতা। চিরতার উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হল-

চিরতা শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। নিয়মিত তিতা খাবার খেলে অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিরতা এরমধ্যে অন্যতম। চিরতা খেলে যেকোনো কাটা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা ভীষণ জরুরি পথ্য। চিরতার রস দ্রুত রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়।

উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, অতি ওজনবিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা দরকারি। টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর আবারও অনেকের প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। তাই টাইফয়েড জ্বরের পরে চিরতার রস খেলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়। চিরতার রস কৃমিনাশক। তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম। শরীরের ঝিমুনিভাব, জ্বরজ্বর লাগা দূর করে চিরতার রস।

নিয়মিত তিতা বা চিরতার রস খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। যাদের ডায়াবেটিস নেই কিন্তু রক্তে চিনির পরিমাণ সবসময় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, তাদের জন্য চিরতা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ