মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

আবিষ্কার হলো বাংলাদেশের প্রথম সমৃদ্ধ স্তূপ কমপ্লেক্স

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুন্সিগঞ্জে পাঁচ মাসব্যাপী নাটেশ্বর বৌদ্ধবিহার খনন কাজ শেষে আবিষ্কার হলো বাংলাদেশের প্রথম সমৃদ্ধ স্তূপ কমপ্লেক্স।

যা ঘোষণা করে, নাটেশ্বর প্রত্নস্থানে ছিলো দশম-একাদশ শতকে একটি বৃহৎ, সমৃদ্ধ স্তূপ কমপ্লেক্স। এবার আবিষ্কার হয়েছে দুইটি বৃহৎ আকারের অষ্টকোণাকৃতির স্তূপ, স্মারক কুঠুরি, সুরক্ষা প্রাচীরের অংশ, নকশাকৃত ইট।

আজ বুধবার(৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় টংগিবাড়ী উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামের প্রত্নস্থানে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এসব তথ্য দেন।

বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা কর্মসূচি পরিচালক ড. নূহ-উল-আলম লেনিন ও গবেষণা পরিচালক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠ করে প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ জানান, নাটেশ্বর দেউলে দ্বিতীয় সভ্যতার স্তরে (৯৫০-১২২৩ খ্রিস্টাব্দ) ইতিপূর্বে এবং এবার যে আবিষ্কার হলো তা পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করে যে, নাটেশ্বর প্রত্নস্থানে ছিলো দশম-একাদশ শতকে একটি বৃহৎ এবং সমৃদ্ধ স্তূপ কমপ্লেক্স যা বাংলাদেশে এই প্রথম।

বিগত বছরের আবিষ্কারগুলোর মধ্যে ছিলো ২৫.২ বর্গমিটার আকৃতির বৃহৎ আকারের নান্দনিক কেন্দ্রীয় অষ্টকোণাকৃতি স্তূপ। এটির চতুপার্শ্বে ১৮ বর্গমিটারের চারটি স্তূপ হলঘর। প্রতিটি হলঘরে আবার ২.৫ বর্গমিটারের চারটি করে স্তুপ। অষ্টকোণাকৃতির স্তূপের কেন্দ্রে বিশেষ ধরণের স্থাপত্য 'স্মারক কুঠুরি' একটি দুষ্প্রাপ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ আবিষ্কার। যেখানে গৌতম বুদ্ধ বা তার গুরুত্বপূর্ণ শিষ্যের দেহ ভষ্ম বা ব্যবহৃত জিনিস রাখা হতো। এর ওপরের অংশ গোলাকার ও নিচের অংশ চতুষ্কোণাকৃতি।

তিনি আরো জানান, বাংলাদেশে এ ধরণের আবিষ্কার প্রথম। স্মারক কুঠুরির গোলাকার অংশ বৌদ্ধ ধর্মের দর্শনের সৃষ্টিতত্ত্ব 'শূন্যবাদ' এর প্রতীকী রূপ। এছাড়া স্তূপের ভেতরের অন্ত্রস্থলটি নির্মিত হয়েছিলো স্পোকযুক্ত গাড়ির চাকার আলদে। গোল চাকাও শূন্যের প্রতিরুপ এবং চাকা গতির প্রতীক। উলম্ব ইটের বিন্যাসকে চাকার স্পোকের সঙ্গে তুলনা করা হয়। স্পোককে কল্পনা করা হয় সূর্যের রশ্মির সঙ্গে। ইতিপূর্বে ইট নির্মিত সুরক্ষা প্রাচীরের অংশবিশেষ পাওয়া গেলেও বিস্তৃতি বুঝা যায়নি। সুরক্ষা প্রাচীরটি যে পুরো স্তূপ কমপ্লেক্স জুড়েই ছিলো এবারের আবিষ্কারে তা অনেকটা পরিষ্কার হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ