রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে গেলেন সেনাপ্রধান জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণে কর্পোরেট দখলের আশঙ্কা ‘হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম করছে’  আওয়ামী নৃশংসতার বৈশ্বিক প্রচারণা জোড়দারের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের একজন শিক্ষকই বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম : এমপি এনামুল কওমি শিক্ষার্থীরা দেশের অনেক বড় সম্পদ: ড. আহমদ আবদুল কাদের হাসিনার আমলে একটি অমানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু রাত ১টার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু

ঢাকায় দুই বছরে সর্বোচ্চ বায়ুদূষণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও কমছে না রাজধানীর বায়ুদূষণ। প্রায় প্রতিদিনই বায়ুমান সূচকে বিশ্বে শীর্ষ দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে আসছে ঢাকার নাম। আগের সব রেকর্ড প্রায় ছাড়িয়ে গতকাল রোববার ঢাকায় বায়ুদূষণের মানমাত্রা উঠেছিল ৫০২-এ। যা গত দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। সর্বশেষ ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর মানমাত্রা উঠেছিল ৪৩০-এ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের বায়ুমান যাচাইবিষয়ক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘এয়ার ভিজ্যুয়াল’-এর বায়ুমান সূচক (একিউআই) অনুযায়ী, গতকাল বেলা ১১টা থেকে দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত গড়ে ঢাকা প্রথম স্থানেই ছিল এবং দূষণের মাত্রা গড়ে ৫০২ পর্যন্ত উঠেছিল। দুপুর ১টার পরে দূষণ কিছুটা কমে যায়। তারপরও ঢাকা প্রথম স্থানেই আছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছয় ধরনের পদার্থ এবং গ্যাসের কারণে ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা সম্প্রতি অনেক বেড়ে গেছে। এর মধ্যে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা অর্থাৎ পিএম ২.৫-এর কারণেই ঢাকায় দূষণ অতিমাত্রায় বেড়ে পরিস্থিতি নাজুক হয়ে উঠছে।

বায়ুদূষণ বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, দূষণের মাত্রা অনেক বেশি এখন। এটা আরও ক’দিন এমনই থাকবে। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে, এতদিন আমরা বাইরে থেকে আসা বাতাসের সঙ্গে ধুলাবালিকেই দায়ী করেছি বেশি। আজ (রোববার) বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। আজ পুরো দূষণের কারণ আমাদের নিজেদেরই। বড় প্রকল্পের কাজ, যানবাহনের ধোঁয়া, আবর্জনা পোড়ানোর ধোঁয়াই মূলত দায়ী। এগুলো বন্ধ করে দ্রুত বড় রাস্তাগুলোতে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করা দরকার এখনই। নইলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

বাপার সহসভাপতি আবদুল মতিন বলেন, দূষণ কেন হয়, দূষণ রোধে কী কী করতে হবে তা আমরা যেমন জানি সরকারও জানে। গণমাধ্যমে বহুবার বহুদিন এসব নিয়ে লেখালেখি হয়েছে। আসল বিষয় হচ্ছে সরকার এটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে কিনা। নইলে সবই সরকারের নিয়ন্ত্রণে। সরকার চাইলেই রোধ করা সম্ভব। বায়ুদূষণ রোধে অগ্রাধিকার দিয়ে শক্তিশালী পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে। এর বিকল্প আর কিছু নেই।

বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহা. মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। টিম করে মনিটরিং করা হচ্ছে। দূষণ রোধে প্রায় প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে দূষণ রোধে শুধু পরিবেশ মন্ত্রণালয় কাজ করলে হবে না, তাই দুই সিটি করপোরেশনের সঙ্গেও কয়েক দফা সভা করেছি আমরা।

রাস্তায় পানি দেয়া নিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়েও কাজ চলছে। দূষণ শুধু আমাদের জন্যই হয় তা নয়, বাইরে থেকেও বাতাসের সঙ্গে ধূলিকণা আসে। এতেও আমাদের দূষণ বেড়ে যায়। আমরা দূষণ কমিয়ে আনতে যা যা করার দরকার তা করছি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ