আওয়ার ইসলাম: ডিসেম্বরের আগামী ক'টা দিন শীতের আমেজেই কাটবে। জানুয়ারিতে আসতে পারে কনকনে ঠান্ডার ধাক্কা। এমনটাই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস থেকে জানা গেছে, রোববার রাজশাহীতে দেশের সর্বনিম্ন ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রংপুর, রাজশাহী, যশোর, গোপালগঞ্জ, ঈশ্বরদী, বদলগাছী, চুয়াডাঙ্গা, কুমারখালী ও শ্রীমঙ্গল অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
এর মধ্যে রোববার গোপালগঞ্জে ৯ দশমিক ৮, শ্রীমঙ্গলে ৮ দশমিক ৪, ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৭, বদলগাছীতে ৮ দশমিক ৪, দিনাজপুরে ৯ দশমিক ৫, তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ১, রাজারহাটে ১০ ডিগ্রি, চুয়াডাঙ্গায় ৭ দশমিক ৯, যশোরে ৮ দশমিক ৮, কুমারখালীতে ৯ দশমিক ৪ ও বরিশালের ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।
চলতি মৌসুমে ১৯ ডিসেম্বর থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয় উত্তর জনপদে। পরদিন রাজারহাটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে, যা চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান বলেন, ডিসেম্বরের শেষভাগে উত্তরাঞ্চলে এরকম টানা শৈত্যপ্রবাহ কোথাও না কোথাও থাকেই। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাপমাত্রা বাড়ছে। তবে রংপুর বিভাগসহ গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, ঈশ্বরদী, বদলগাছী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুমারখালী ও শ্রীমঙ্গল অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে চলা মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
আব্দুর রহমান আরও জানান, দেশের যেসব অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা আর বাড়বে না। এ অবস্থা চলবে আগামী তিন থেকে চার দিন। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা হয়তো একটু কমতে পারে। তবে বড় আকারে পরিবর্তন নাও হতে পারে।
তিনি জানান, ডিসেম্বরের শেষভাগে উত্তরাঞ্চলে এরকম টানা শৈত্যপ্রবাহ কোথাও না কোথাও থাকেই। উত্তরের হিমেল হাওয়া আর কুয়াশার চাদরে এমন আবহাওয়া ব্যতিক্রম নয়।
-এএ