রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে গেলেন সেনাপ্রধান জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণে কর্পোরেট দখলের আশঙ্কা ‘হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম করছে’  আওয়ামী নৃশংসতার বৈশ্বিক প্রচারণা জোড়দারের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের একজন শিক্ষকই বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম : এমপি এনামুল কওমি শিক্ষার্থীরা দেশের অনেক বড় সম্পদ: ড. আহমদ আবদুল কাদের হাসিনার আমলে একটি অমানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু রাত ১টার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু

নুরের সমর্থকদের সাথে ছাত্রলীগের হাতাহাতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নুরের সমর্থকদের সাথে ছাত্রলীগের হাতাহাতি ও ধাওয়া হয়েছে। মহান বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নূরুল হক নুরের সমর্থকদের সাথে ছাত্রলীগের এ হাতাহাতি ও ধাওয়া হয়। বুধবার সকাল ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের ফারুকী পার্কের স্মৃতিসৌধ এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। এতে সংগঠনের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের নেতারা।

জানা যায়, সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের ব্যানারে ভিপি নুরের সমর্থকরা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। ওই সময় তাদেরকে জামায়াত-শিবিরকর্মী বলে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা দেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও তার কর্মীরা। পরে ফুল দিয়ে স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে। ওই সময় ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের সাথে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্মৃতিসৌধ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের হাত থেকে জাতীয় পতাকা ছিনিয়ে নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল করেছে বলে জানা যায়।

ছাত্র অধিকার পরিষদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল মিয়া বলেন, ‘আমরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ জন স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাই। ছাত্রলীগ নেতারা আমাদের বাধা দিয়ে বলে, মাত্র চার থেকে পাঁচজনকে নিয়ে স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে হবে। আমরা তাদের কথামতো কয়েকজন মিলে ফুল দিয়ে স্মৃতিসৌধ থেকে বের হয়ে যাই। পরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হঠাৎ হামলা করে। এতে আমাদের জেলা কমিটির সভাপতি আশরাফুল হাসানসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।’

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের সাথে আমাদের কোনো হাতাহাতি বা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। তারা স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়েছিল। ওই সময় তারা স্মৃতিসৌধে উস্কানিমূলক কথা বলে পরিবেশ নষ্ট করেন। পরে উপস্থিত লোকজন তাদের বিতাড়িত করে দেয়। তবে আমরা ওই স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে মিছিল করেছি।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘স্মৃতিসৌধের ভেতরে কিছু হয়নি। তবে বাইরে কিছু হয়েছে কিনা সেটি বলতে পারব না।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ