রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে গেলেন সেনাপ্রধান জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণে কর্পোরেট দখলের আশঙ্কা ‘হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম করছে’  আওয়ামী নৃশংসতার বৈশ্বিক প্রচারণা জোড়দারের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের একজন শিক্ষকই বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম : এমপি এনামুল কওমি শিক্ষার্থীরা দেশের অনেক বড় সম্পদ: ড. আহমদ আবদুল কাদের হাসিনার আমলে একটি অমানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু রাত ১টার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু

আমাদেরকে জেলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই: মুফতি ফয়জুল করিম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আমাদেরকে জেলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। যদি অন্যায় করে থাকি তাহলে জেলে দেন কোন আপত্তি নাই কিন্তু যদি আমরা অন্যায় না করি, আর জেলে ডুকানোর দু:সাহস দেখান তাহলে বাংলার জনগণ ইনশাল্লাহ সেই দুঃসাহসে আঘাত করবে। যেদিন এই হাতের মাঝে হ্যান্ডকাপ লাগবে সেদিন এই বাংলার জনগণ সেই হ্যান্ডকাপকে ছিড়ে ফেলবে ইনশাআল্লাহ।

আজ ১৬ ডিসেম্বর (বুধবার) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা ভেবেছেন, জেলের তকমা দেখালেই আমরা ইঁদুরের মত পালিয়ে যাব। ইদুরের বাচ্চা পালাতে পারে। শিয়ালের বাচ্চা পালাতে পারে। ভোঁদড় এর বাচ্চা পালাতে পারে। বিড়ালের বাচ্চা পালাতে পারে। কিন্তু শায়খ ফজলুল করিমের ছেলে ফয়জুল করিম পালাতে পারে না। আবু বকরের সন্তানেরা পালাতে পারে না। ওমরের সন্তানেরা পালাতে পারে না।

তিনি বলেন, মারা যাবো শির উঁচু করে মারা যাব। রক্ত দিব ইসলামের জন্য রক্ত দিব। জীবন দিব ইসলামের জন্য জীবন দেব। এই দেশ রক্ষা করার জন্য জীবন দিব। সাম্য, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রয়োজনে রক্ত দিব। তবু দেশকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আর যারা শেখ সাহেব (শেখ মুজিবুর রহমান) কে মহব্বত করতেছেন, ভালোবাসতেছেন, তাদেরকে প্রশ্ন করতে চাই, তিনি যখন ১৫ আগস্ট এর পরে ৩৬ ঘন্টা লাশ হয়ে পড়েছিলেন তখন তারা কোথায় ছিল? তখন এতো ভালোবাসা কোথায় ছিল?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি উক্তিকে উদ্ধৃতি দিয়ে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একথা হাজার বার বলেন, এ কথার জবাব এখনো পাইনি, সেদিন আমার বাবার লাশ পড়েছিল, অথচ এত বড় দল, এত বড় সংগঠন, কিন্তু তাকে দেখার মত কেউ ছিলনা।

শেখ সাহেবের লাশ সেদিন পড়েছিল আর আপনারা তখন ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। শেখ সাহেব মারা যাওয়ার পর বাংলার ফেরাউন মারা গেছে, কারা বলেছিল একথা কি কেউ জানেনা? এদেশের মানুষ কি জানে না এই ঘোষণা কে দিয়েছিলো? সেদিন এ ঘোষণা কোন আলেম দেয়নি, কোন মৌলবী দেয়নি, তোদের মত দালালরাই দিয়েছিল। তোদের মত নাস্তিকরাই দিয়েছিল।

শুধু তাই নয় আমি আপনাদের প্রশ্ন করতে চাই। শেখ সাহেবের জানাজা কে পড়িয়েছিলেন? কে তার জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন? তার জানাজা কে দিয়েছিল? এই গোষ্ঠীর একটাও ছিলনা। তারা ঐ দিকে ব্যস্ত ছিল। তারা গদির ভাগাভাগিতে ব্যস্ত ছিল।

তিনি বলেন, আমার কথা একেবারেই স্পষ্ট ও পরিষ্কার। সাংবাদিক বন্ধুরা আজকে কোন সিগনাল দেই নাই। আজকের এই সম্মেলনের জন্য কোন প্রচার-প্রসার করিনি। মানুষগুলো কেস হয়েছে। তাই আবেগে মানুষগুলো এখানে চলে এসেছে। তবে শুনে রাখ, যেদিন এরেস্ট করবে সেদিন দেখবে বাংলার মানুষ তোমাদের কি অবস্থা করে!

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ