রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য দুঃসংবাদ নির্বাচনের আগে পাঞ্জাবি-টুপি পরে ইরি ক্ষেতে নামার ভণ্ডামি মানুষ বুঝে : হাসনাত আবদুল্লাহ  জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বেঠক গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ দুই নেতাকে পাশে চান ট্রাম্প নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর মিষ্টি বিতরণ মালদ্বীপ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আসছে ই-ভিসা ও অ্যাপ আল-আজহারে ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হলো পবিত্র ইসরাআ ও মেরাজ নোয়াখালীতে পিকআপ–অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৩ ভিডিও গেম বিক্রির টাকা কি হালাল! বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখমের মামলায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

ফ্রান্স সরকার প্যারিসের একমাত্র মুসলিম স্কুলটিও বন্ধ করে দিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একমাত্র মুসলিম স্কুল ‘এমএইচএস কলেজ অ্যান্ড হাইস্কু ‘  বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সেই সবচেয়ে বেশি মুসলিমের বাস। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মুসলিমদের ওপর ব্যাপক চাপ প্রয়োগ করছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।

এমএইচএস কলেজ অ্যান্ড হাইস্কুল প্যারিসের একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন মাধ্যমিক স্কুল। ২০১৫ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ এবং জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুসরণ করলেও স্কুলটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী মুসলিম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্কুলটির এক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলেন, এটি ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সবার জন্য উন্মুক্ত একটি স্কুল। এমনকি আমরা ধর্মীয় কোনও বিষয় শেখাই না। তবে স্কুলটির একটি বিষয় অন্যদের চেয়ে আলাদা। স্কুলের মেয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় অনুশাসন মানতে পারে এবং চাইলে হিজাবও পরতে পারে। কারণ আমরা মনে করি সবারই তাদের পছন্দের পোশাক পরা উচিত।

২০০৪ সালে মুসলিম মেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে হেডস্কার্ফ খুলে ফেলার নিয়ম চালু করে। ফলে স্কুলের গেটে হিজাব খুলে ফেলতে বাধ্য হন মেয়ে শিক্ষার্থীরা। এরপর থেকেই আসলে মুসলিম মেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় রেখে পড়াশোনা অনেকটা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়।

কিন্তু এমএইচএস মুসলিম শিক্ষার্থীর জন্য ব্যতিক্রমী একটি স্কুল ছিল। কিন্তু গত ১৭ নভেম্বর স্কুলটি পরিদর্শনের পর বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। স্কুল কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে ১১০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবর্ষের মাঝপথেই স্কুলহারা হতে হলো। চাকরি হারিয়েছেন ১৮ জন শিক্ষক ও সহায়ক কর্মীও।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ