রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে গেলেন সেনাপ্রধান জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণে কর্পোরেট দখলের আশঙ্কা ‘হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম করছে’  আওয়ামী নৃশংসতার বৈশ্বিক প্রচারণা জোড়দারের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের একজন শিক্ষকই বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম : এমপি এনামুল কওমি শিক্ষার্থীরা দেশের অনেক বড় সম্পদ: ড. আহমদ আবদুল কাদের হাসিনার আমলে একটি অমানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু রাত ১টার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় ৯ বাংলাদেশীর আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মালয়েশিয়ায় চলমান কোভিড-১৯ মহামারিতে কর্মহীন হয়ে আর্থিক সঙ্কটে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নয়জন বাংলাদেশীসহ প্রায় ৪৯ জন অভিবাসী শ্রমিক আত্মহত্যা করেছেন বলে একাধিক রিপোর্টে জানা গেছে।

দেশটির মানবাধিকার সংস্থার এক কর্মী বলেছেন, পুলিশের ওই রিপোর্টটি উদ্বেগজনক, কারণ প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি!সম্প্রতি মালয়েশিয়ার একাধিক সংবাদমাধ্যম হারিয়ান মেট্রো, মালয়েশিয়া কিনি এবং বুকিত আমান (সিআইডি) ও বালাই পুলিশের আলাদা প্রতিবেদনে থেকে ওই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে এক বরাত দিয়ে জানা গেছে, মৃত অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশের নয়জন, মায়ানমারের ১৪ জন, নেপালের নয়জন, ভারতের পাঁচজন, ইন্দোনেশিয়ার ছয়জন, পাকিস্তানের দু’জন, ভিয়েতনামের একজন এবং ব্রিটিশ নাগরিক একজন ও অস্ট্রেলিয়ার একজন নাগরিক রয়েছেন।

বাকিদের এখনো পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। জুস নামে এক অনলাইনে প্রতিবেদনে লিখেছে, দেশটিতে ১৮ মার্চ থেকে শুরু করে একটানা দীর্ঘ লকডাউনে অনেক মানুষ তাদের কাজ হারিয়েছে। এমতাবস্থায় চরম আর্থিক ও খাদ্য সঙ্কটে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে অভিবাসী শ্রমিকদের কর্মজীবন।

লকডাউন চলাকালীন মালয়েশিয়ান নাগরিকেরা প্রতিমাসে একটি নির্দিষ্ট হারে সরকারের আর্থিক অনুদান পেয়েছে। যার ফলে মালয়েশিয়ানদের দৈনন্দিন জীবন স্বাভাবিকভাবে কাটলেও অনাহারে দিন কাটানো অভিবাসীদের কপালে জোটেনি এক মুঠো সরকারি সাহায্য।

বেসরকারিভাবে অনেকে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার চেষ্টা করলেও তা সব অভিবাসী পর্যন্ত পৌঁছায়নি।মালয়েশিয়ার তেনেগানিটারের (মানবাধিকার সংস্থা) নির্বাহী পরিচালক গ্লোরিন দাস এক বিবৃতিতে উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, অভিবাসীকর্মীদের আত্মহত্যার সংখ্যা আরও বেশি। সব ঘটনা মিডিয়াতে আসেনি। সরকার তার নাগরিকদের পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করলেও বিদেশিরা কোনো সহযোগিতা পায়নি।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, আত্মহত্যা একটি প্রতিরোধযোগ্য সমস্যা। বিদেশীদের সরকারের সঠিক পন্থায় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুনর্বাসন করা উচিত।

তাদের সমমর্যাদা দিয়ে কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে এবং এখন তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যবস্থা নেয়া উচিত। আরেক মানবাধিকার সংস্থা এনএসআই-এর নির্বাহী পরিচালক এ্যাড্রিয়ান পেরেরা বলেন, মালয়েশিয়া তাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য বারবার ভুলে যায় অভিবাসী শ্রমিকরা দেশের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এমনকি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তাদের দ্বারা মালয়েশিয়ায় অপরাধও কম হয়। অথচ এখানে বিদেশীদের অপরাধীর মত দেখা হয় ও তাদের করোনাভাইরাসের উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে চিন্তা করা হচ্ছে।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ