শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারত থেকে কেনা ২০০ রেলকোচের প্রথম ১৮টি দেশে পৌঁছেছে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি

গ্রামের শেষ হিন্দুর মৃত্যু: সৎকারে এগিয়ে এলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আরও একবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজর দেখলো ভারত। পশ্চিমবঙ্গে আসানসোলে জামুরিয়া থানার অন্তর্গত দেশেরমোহন গ্রামে বসবাস করে একটি মাত্র হিন্দু পরিবার। শনিবার সন্ধ্যায় সেই পরিবারের প্রধান বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। তার নাম রামধনু রজক। ৮০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধের মৃত্যুর পর পুরো গ্রাম একত্রিত হয়ে হিন্দু ধর্মমতে তার সৎকারের সিদ্ধান্ত নেন। খবর আনন্দবাজারের।

এর ফলে রাতেই তারা রামধনু রজকের ছেলে ও মেয়েদের খবর দেন। সকালে রজকের এক ছেলে গ্রামে আসেন, বাকিরা অন্য রাজ্যে থাকেন, তাই তারা সৎকারের কাজে পৌঁছাতে পারেননি। গ্রামের বাসিন্দা শেখ ফিরদৌস বলেন, দেশেরমোহন গ্রামে মোট পরিবার ২৩০টি। তার মধ্যে মাত্র একটি হিন্দু পরিবার।

তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে বার্ধক্যজনিত কারণে রামধনু রজক (৮০) অসুস্থবোধ করেন। তখন সন্তানরা বাইরে থাকায় তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব মুসলিম প্রতিবেশীরাই নেন। দুর্গাপুরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষমেশ রানীগঞ্জের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তিনি মারা যান।

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ মুবারক জানান, দেশেরমোহন গ্রামের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুরো এলাকার কাছে এক দৃষ্টান্ত। যিনি মারা গেছেন, তিনি ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু হলেও আমাদের গ্রামেরই একজন সম্মানীয় ব্যক্তি ছিলেন। এই গ্রাম প্রমাণ করলো মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে। সে হিন্দু হোক, মুসলিম হোক বা অন্য যে ধর্মেরই হোক না কেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ