শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণে কর্পোরেট দখলের আশঙ্কা ‘হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম করছে’  আওয়ামী নৃশংসতার বৈশ্বিক প্রচারণা জোড়দারের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের একজন শিক্ষকই বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম : এমপি এনামুল কওমি শিক্ষার্থীরা দেশের অনেক বড় সম্পদ: ড. আহমদ আবদুল কাদের হাসিনার আমলে একটি অমানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু রাত ১টার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

গ্রামের শেষ হিন্দুর মৃত্যু: সৎকারে এগিয়ে এলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আরও একবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজর দেখলো ভারত। পশ্চিমবঙ্গে আসানসোলে জামুরিয়া থানার অন্তর্গত দেশেরমোহন গ্রামে বসবাস করে একটি মাত্র হিন্দু পরিবার। শনিবার সন্ধ্যায় সেই পরিবারের প্রধান বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। তার নাম রামধনু রজক। ৮০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধের মৃত্যুর পর পুরো গ্রাম একত্রিত হয়ে হিন্দু ধর্মমতে তার সৎকারের সিদ্ধান্ত নেন। খবর আনন্দবাজারের।

এর ফলে রাতেই তারা রামধনু রজকের ছেলে ও মেয়েদের খবর দেন। সকালে রজকের এক ছেলে গ্রামে আসেন, বাকিরা অন্য রাজ্যে থাকেন, তাই তারা সৎকারের কাজে পৌঁছাতে পারেননি। গ্রামের বাসিন্দা শেখ ফিরদৌস বলেন, দেশেরমোহন গ্রামে মোট পরিবার ২৩০টি। তার মধ্যে মাত্র একটি হিন্দু পরিবার।

তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে বার্ধক্যজনিত কারণে রামধনু রজক (৮০) অসুস্থবোধ করেন। তখন সন্তানরা বাইরে থাকায় তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব মুসলিম প্রতিবেশীরাই নেন। দুর্গাপুরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষমেশ রানীগঞ্জের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তিনি মারা যান।

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ মুবারক জানান, দেশেরমোহন গ্রামের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুরো এলাকার কাছে এক দৃষ্টান্ত। যিনি মারা গেছেন, তিনি ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু হলেও আমাদের গ্রামেরই একজন সম্মানীয় ব্যক্তি ছিলেন। এই গ্রাম প্রমাণ করলো মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে। সে হিন্দু হোক, মুসলিম হোক বা অন্য যে ধর্মেরই হোক না কেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ