আওয়ার ইসলাম: চট্টগ্রামের দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক বা মুহতামিম হিসেবে শুরা কমিটির মাধ্যমে তিনজনকে নির্বাচন করা হয়েছে।
আজ ১৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার) আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর জানাজার পর মাদরাসার শূরা কমিটি বসে এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা গেছে।
আরও জানা গেছে, তিন সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি মাদরাসার সব কাজের সুরাহা করবেন। তাঁদের সবার সমান অধিকার থাকবে। তাদের মধ্য থেকে কেউ একজন এককভাবে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না।
কমিটিতে থাকা সদস্য তিনজন হলেন, হাটহাজারী মাদরাসার প্রধান মুফতি ১) মুফতী আবদুস সালাম। বর্তমান সহকারী পরিচালক ২) মাওলানা শেখ আহমদ ও ৩) মাওলানা ইয়াহইয়া।
জানা গেছে, মাদরাসার সাবেক নায়েবে মুহতামিম মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীকে নাজেমে তালিমাত ও প্রধান শায়খুল হাদীস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ঐতিহাসিক জনস্রোতের মাধ্যমে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক, বীর সিপাহসালার হেফাজত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর। হাটহাজারীর মাদরাসা মাঠে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর বড় ছেলে মাওলানা আবু ইউসুফ এর ইমামতিতে বিকাল ২ টায় ঐতিহাসিক এ জানাজা সম্পন্ন হয়।
জানাজার নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগেই হাটহাজারী মাদরাসা মাঠ, রাস্তা-ঘাট, পথ-প্রান্তর লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।
ইতিহাসের এই মহা নায়ককে শেষবারের মতো দেখতে হাটহাজারী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে লাখো লাখো উলামা, ত্বলাবা,মুসুল্লী, সালেকীন,মুহিব্বীনদের ঢল নামে।
হাটহাজারী মাদরাসার সাবেক মহাপরিচালক শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি ছিলেন একজন বিশ্ববরেণ্য আলেমে দীন, বুযুর্গ, শাইখুল হাদীস এবং অবিসংবাদিত নেতা। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তিনি কওমি মাদরাসা অথরিটি আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি প্রায় এক যুগ ধরে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) সভাপতি ছিলেন। তিনি দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর যাবত দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক ও শায়খুল হাদিস হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি বাংলাদেশের উলামায়ে কেরাম, মসজিদের ইমাম ও খতিব, মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দ এবং ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনসাধারণের একজন সফল অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছিলেন। তিনি ছিলেন হেফাজতে ইসলামের স