মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

তুরস্কে খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন এরদোগান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ও জাদুঘর আয়া সোফিয়াকে মসজিদ হিসেবে ঘোষণার পরে সমালোচকরা এটিকে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ধর্মনিরপেক্ষতা বাতিল বা খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা কিনা সেই প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।

ফ্রন্টিয়ার অ্যালায়েন্স ইন্টারন্যাশনালের (এফএআই) মিশনের সভাপতি ডাল্টন থমাস বলেছেন, এর মাধ্যমে এরদোগান প্রকাশ্যে ইসলামিক রাষ্ট্র পুনর্গঠনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন।

তিনি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘তুর্কি প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, পাশাপাশি দেশটির পুরনো সীমানা পুনরুদ্ধার এবং জেরুজালেম বিজয়ের আহ্বান জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, যখন বিশ্ব করোনার ভয়ঙ্কর পরিণতি থেকে মুক্ত হচ্ছে, তখন আমরা আবার খিলাফতের মুখোমুখি হব।’

গত ১০ই জুলাই তুরস্কের শীর্ষ একটি আদালত হায়া সোফিয়াকে জাদুঘরে পরিণত করা বিষয়টি অবৈধ বলে রায় দেয় এবং এর পরেই তুরস্কের ইসলামপন্থী সরকার একে মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের পক্ষে আদেশ জারি করে।

এক বক্তব্যে এরদোয়ান বলেছেন, ‘প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরনো হায়া সোফিয়া মুসলিম, খ্রিস্টান এবং বিদেশিদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। যা এক সময় খ্রিস্টানদের ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তিনি বলেছেন, হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরে তুরস্ক সার্বভৌম অধিকারের চর্চা করেছে।

অবশ্য থমাস এটিকে তুরস্কের ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের লঙ্ঘন ও ধ্বংস হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি তুরস্কের অভ্যন্তরে সংঘটিত একটি ইসলামিক পুনর্জাগরণ। এটিই ধ্বংসকারী এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী তুরস্কের দেশকে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ন্ত্রণকারী একটি ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে তার মূল গঠনে ফিরিয়ে নিয়ে আসার পুনর্নির্মাণ।’

উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য হায়া সোফিয়া দেখতে প্রতি বছর ইস্তাম্বুলে পর্যটকদের প্রচুর জনসমাগম হয়। সারা বিশ্ব থেকেই এখানে পর্যটকরা আসেন। ক্যাথেড্রাল হিসেবে স্থাপনাটি প্রথম নির্মাণ করা হয় বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সময়। কিন্তু ১৪৫৩ সালে অটোমানরা কনস্টান্টিনোপল জয় করার পর হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়।

এরপর ১৯৩৪ সালে তুরস্ক সরকার এটিকে জাদুঘরে পরিণত করেন। কিন্তু শুক্রবার তুরস্কের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত দ্য কাউন্সিল অব স্টেটের সিদ্ধান্তে হায়া সোফিয়াকে ফের মসজিদে রূপান্তরিত হলো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ