বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান ও মাদরাসাপড়ুয়াদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা হজযাত্রীদের জন্য নতুন ছাতার নকশা আহ্বান সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের

বন্যপ্রাণী রক্ষায় ব্যর্থতার কারণে বন বিভাগের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে সবুজ আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চলমান বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা ও পাচার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে বন অধিদপ্তর। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে তাদের তৎপরতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। তবে শিগগিরই এ অবস্থার উন্নতি না হলে বন অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে সবুজ আন্দোলন বাংলাদেশ।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেন সংগঠনের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার।

তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক কিন্তু প্রতিনিয়ত হত্যা করা হচ্ছে বন্য হাতি। হরহামেশা হাতি, ডলফিন, বানর, পাখি, ব্যাঙ, সাপসহ বিভিন্ন বন্য প্রজাতিকে শিকার, হত্যা ও পাচার করছে কতিপয় দুর্বৃত্তরা। প্রতিনিয়ত অবাধে এসব প্রাণীকে হত্যা করা হলেও বন কর্মকর্তা কিংবা পরিবেশ মন্ত্রাণালয়ের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য তৎপরতা চোখে পড়ছে না।

তিনি আরও বলেন, গত তিন দিনে পর পর তিনটি হাতির মরদেহ উদ্ধার হয়েছে দেশের বনাঞ্চলে। এর আগে উদ্ধার হয়েছে ডজনখানেক ডলফিনের মরদেহ, যা আমাদের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এ বিষয় এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি বন বিভাগে। অথচ তাদের উচিত ছিল জাতির কাছে এসব ঘটনার কারণ স্পষ্ট করা এবং ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়া।

সবুজ আন্দোলন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী গত ৯ মাসে শুধু চট্টগ্রাম বিভাগের বনাঞ্চলে ১২টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। তার বিপরীতে মৃত প্রাণীকে পুঁতে ফেলা, খুব বেশি চাপে পড়লে দায়সারা ময়নাতদন্ত বা একটি মামলা করা ছাড়া কোনো পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি, যা আমাদের ভাবাচ্ছে।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে চলমান প্রকল্পগুলোর টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে জানতে চেয়ে তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে বন ও প্রাণী। এখন অবশ্যই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে এসব টাকা কি সত্যি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ব্যয় হচ্ছে না কারও পকেটে যাচ্ছে।

নিজেদের দায়বদ্ধতা থেকে বন মন্ত্রণালয়কে এসব বিষয়ে জাতির সামনে খোলসা করতে হবে বলেও দাবি করেন তিনি।

বাপ্পি সরদার আরও বলেন, বন্যপ্রাণী হত্যার জন্য মৃত্যুদ- বাস্তবায়ন আইন এখন সময়ের দাবি। প্রচলিত আইনে নতুন ধারার সংযোজন এবং জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো দরকার। মামলা হয় আর কোনো ব্যবস্থা হয় না কেন তা ক্ষতিয়ে দেখতে হবে। বন কর্মকর্তাদের গাফিলতি আছে কিনা দ্রুত তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বন মন্ত্রণালয় শিগগিরই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এবং জনগণের সামনে তা তুলে না ধরলে জনস্বার্থে বন বিভাগের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ারও হুমকি দেন সবুজ আন্দোলনের চেয়ারম্যান।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ