সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’

করোনায় মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি বেলজিয়ামে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বেলজিয়ামে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ৭ হাজার ৮৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

করোনায় মৃত্যুহারের হিসাব করলে বেলজিয়ামের অবস্থান সবার উপরে। দেশটিতে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৬৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। যা বিশ্বে মৃত্যুহারে সর্বোচ্চ।

দেশটির জনসংখ্যা ১ কোটি ১৫ লাখ। তাদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার। প্রধানমন্ত্রী সোফি উইলমস বলেছেন, ‘কোভিড-১৯ রোগে মৃত্যু ও আক্রান্ত নিয়ে সরকার সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে তথ্য সরবরাহ করবে।’ অনেকে বলছেন, করোনা নিয়ে তথ্য গোপন না করার কারণে দেশটিতে মৃত্যু বেশি।

বেলজিয়ামের সরকারি কর্মকর্তা বলছেন, তারা যেভাবে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাব করছে বিশ্বের কোনো দেশই এভাবে তা করছে না। দেশটি শুধু হাসপাতাল ও কেয়ার হোমে করোনায় যারা মৃত্যুবরণ করছেন তাদের হিসাব রাখছেন না করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়াদেরও তালিকাভূক্ত করছেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এমন নিশ্চিত তথ্য না থাকার পরও করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন এমন রোগীর মৃত্যুও তালিকায় অন্তভূর্ক্ত করা হচ্ছে, যাতে করে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কিন্তু তা জানা যায়নি এমন অভিযোগ না ওঠে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হয়ে ‍যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৫৩ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে কেয়ার হোমে। কেয়ার হোমে যারা মারা গেছেন তাদের মাত্র ১৬ শতাংশ করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত। এর অর্থ হলো বাকি সাড়ে ৩ হাজারের বেশি রোগী সন্দেহভাজন করোনা রোগী।

গত ১৮ মার্চ থেকে দেশটি লকডাউন। অপ্রয়োজনীয় সব ব্যবসা বন্ধ। মানুষ ঘরেই রয়েছেন। শুধু জরুরি কাজে নিয়োজিত কর্মীরা বাড়ির বাইরে যেতে পারছেন। প্রত্যেক পরিবার থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার জন্য বাইরে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে একজনের। কিন্তু তারপরও মৃত্যু বাড়ছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ