আওয়ার ইসলাম: ভারতের দিল্লিতে চলমান সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভে সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কর্পোরেশন (ওআইসি)। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক বিবৃতি দিয়েছে ওআইসি।
বিবৃতিতে দিল্লিতে মসজিদ এবং মুসলিম মালিকানাধীন সম্পত্তি ভাঙ্গচুরের নিন্দা এবং এই জঘন্য কাজগুলির শিকার পরিবারের প্রতি আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
https://twitter.com/OIC_OCI/status/1232935826499284993?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1232935826499284993&ref_url=https%3A%2F%2Finsaf24.com%2F%25e0%25a6%25ad%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25a4%25e0%25a7%2587-%25e0%25a6%25ae%25e0%25a7%2581%25e0%25a6%25b8%25e0%25a6%25b2%25e0%25a6%25bf%25e0%25a6%25ae-%25e0%25a6%25ac%25e0%25a6%25bf%25e0%25a6%25a6%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25ac%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%25b7%25e0%25a7%2580-%25e0%25a6%25b8%25e0%25a6%25b9%2F
ভারত সরকারকে মুসলিম বিরোধী সহিংসতার জন্য প্ররোচিতকারী এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা, মুসলিম নাগরিকের সুরক্ষা এবং সারা দেশে ইসলামি পবিত্র স্থানের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে ওআইসি।
এদিকে ওআইসির এমন বিবৃতির নিন্দা জানিয়েছে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র রাভিশ কুমার। তিনি বলেন, ভারতে মুসলিমদের উপর হিংসার যে অভিযোগ করেছে ওআইসি, তা দায়িত্বজ্ঞানহীন। দিল্লিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সংগঠনগুলোর কাছে আর্জি জানাচ্ছি, এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য থেকে বিরত থাকুন।
উল্লেখ্য, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে গত তিনদিন ধরে চলা সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো দুই শতাধিক। হামলা চালানো হয়েছে বিভিন্ন ঘরবাড়ি ও দোকানপাটে।
পরিস্থিতি সামলাতে গোটা উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে আগামী এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। দিল্লি-সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদেও ১৪৪ ধারা জারি হয়। নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয় গাজিয়াবাদ-দিল্লির সীমানায় যাতায়াতের উপর। টানা বন্ধ দু’দিন উত্তর-পূর্ব দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন।
দিল্লি পুলিশ ১৮টি এফআইআর করেছে, গ্রেফতার করা হয়েছে ১০৬ জন।
দিল্লির প্রবীণরা বলছেন, ১৯৮৪-র শিখ-বিরোধী দাঙ্গার পরে শহরে সংঘর্ষে এত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। বছর পাঁচেক আগেও পূর্ব দিল্লির ত্রিলোকপুরীতে গোষ্ঠী সংঘর্ষ হয়েছিল। কিন্তু কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
আরিনিউজ ডট টিভি ইংরেজি থেকে ওমর আলফারুকের অনুবাদ...
-এএ