রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :

পাকিস্তানের মিনি কাবুলে আফগানিরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রায় ৪ দশকের সহিংসতা এড়াতে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে আশ্রয় নেয় প্রায় ২৪ লাখ আফগান শরণার্থী। আর এভাবেই পাকিস্তানে গড়ে ওঠে মিনি কাবুল। তবে নিরাপত্তা ইস্যু আর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিয়তায় দিন কাটাচ্ছেন শরণার্থীরা। ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত আগ্রাসনের পর থেকে তালেবানরা শক্তিশালী হয়।

সহিংসতা থেকে বাঁচতে ১৯৮০ সালে আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তান পালিয়ে আসেন ৫০ বছরের নিয়াজ মোহাম্মাদ। বাস করছেন খাইবার-পাখতুনখাওয়া প্রদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেশাওয়ারে। নিয়াজ জানান, এদেশে এসে জুটেছে আয়-রোজগার। তবে তারা দৈনন্দিন নানা সমস্যার সমাধান চান পাকিস্তান সরকারের কাছে।

আফগান শরণার্থী নিয়াজ মোহাম্মাদ বলেন, ক্যাম্পে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। নেই ইলেক্ট্রিসিটি, নেই পানিও। ড্রেনেজ ব্যবস্থা খারাপ। এসব সমস্যা সমাধানে আমরা পাকিস্তান সরকার বা বিদেশি কোনো দেশের সহায়তা চাই।

শরণার্থীদের আশ্রয়দাতা দেশের তালিকায় বিশ্বে পাকিস্তানের অবস্থান তৃতীয়। গত ৪০ বছরে নিয়াজের মতো এদেশে এসেছেন কয়েক লাখ আফগান শরণার্থী। পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বাড়ি ভাড়া করে থাকছেন অনেকে। দেশের অর্থনীতিতে অবদান রয়েছে তাদের। আর এভাবেই গড়ে ওঠেছে মিনি কাবুল। তবে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিয়তা আর নাগরিকত্ব না পাওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তারা।

আরো এক বাসিন্দা বলেন, আফগানিস্তান-পাকিস্তান শান্তি আলোচনা সফল হলে আমি ফিরতে প্রস্তুত। কিন্তু তার আগে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পুনর্বাসনেরও ব্যবস্থা করতে হবে।

আরো এক বাসিন্দা বলেন, যেকোনো দেশে ১০ বছর বাস করলে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। কিন্তু এখানে ৪০ বছর ধরে থেকেও নাগরিকত্ব পাচ্ছিনা। আমার কাছে এখন শুধু শরণার্থী কার্ড আছে।

ষোলশো মাইলের সীমানা রয়েছে দু'দেশের মধ্যে। সে কারণে পাকিস্তানে আফগান শরণার্থীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আফগান শরণার্থীদের ফেরাতে বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি এখনও।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ