শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা থেকে মার্কিন সেনার ইসলাম গ্রহণ! মারকাযুল ফুরকানের বর্ণাঢ্য আয়োজনে মেধা প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ ‘মুহাম্মদ’ নাম নিয়ে ট্রাম্পের ব্যঙ্গ নিয়মিত নামাজ আদায়ের শীর্ষে আফগানিস্তান, দৈনিক নামাজ পড়েন ৯৬ শতাংশ লালন দর্শন ও ইসলামের আকিদা: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে কয়েকটি মৌলিক মতপার্থক্য মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে ইরানি তরুণীর মৃত্যুদণ্ড আমিরে মজলিসের ১৬ লাখ অনুসারীর ফেসবুক আইডি সরিয়ে দিল মেটা ‘ইসলামের আলোকে নারীর যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে’ স্বামী-স্ত্রীর কেউ পরকীয়ায় জড়ালে অপরজনের করণীয় কী? তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন পূর্বাভাস 

৮০০ বছরের পুরনো সোনার সুড়ঙ্গের খোঁজ ইসরায়েলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইসরায়েলে মাটির তলায় লুকিয়ে রাখা ৮০০ বছরের পুরনো সোনার সুড়ঙ্গের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যোদ্ধাদের গোপন সদর দফতরেরও খোঁজ মিলেছে। এখন শুধু খোঁড়াখুঁড়ি করে সেই সম্পত্তি তুলে আনার অপেক্ষায় আছে দেশটি।

বিজ্ঞানীদের বরাতে জানা যায়, উন্নত প্রযুক্তির লেসার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই সুড়ঙ্গের খোঁজ পাওয়া গেছে।

ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফিক চ্যানেলের বিজ্ঞানী লিন এবং তার দল সম্প্রতি এই খোঁজ পেয়েছেন। চ্যানেলে তা সম্প্রচারও করা হয়েছে।

লিন জানিয়েছেন, একাদশ শতকে ধর্মযুদ্ধের সময় ইসরাইল শহর একরির নীচে খ্রিস্টান যোদ্ধারা সুড়ঙ্গ তৈরি করেছিলেন।ধর্মযুদ্ধের সময় ইসরাইলের ওই শহরই ছিল যোদ্ধাদের সদর দফতর।

ইসরাইলে মাটির নীচে ৮০০ বছরের পুরনো সোনার সুড়ঙ্গের খোঁজ

সদর দফতর যাতে সহজে খুঁজে না পাওয়া যায়, তার জন্য একরি শহরের মাটির অনেকটা নীচে ওই সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল। গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে সদর দফতরে পৌঁছতেন যোদ্ধারা।এই সুড়ঙ্গ দিয়েই তারা যুদ্ধের প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং সঙ্গে প্রচুর সোনা নিয়ে যেতেন।

কিন্তু অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, এই গোপন সুড়ঙ্গ সোনার মত মূল্যবান সম্পদ নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সেনাদের লুকিয়ে থাকা এবং বিপদে পড়লে অন্যত্র পালাবার রাস্তা হিসাবেও ব্যবহার করা হত।এতদিন সেই সুড়ঙ্গ এবং সদর দফতরের কথা জানা থাকলেও, তার প্রকৃত অবস্থান জানা ছিল না।

তবে এই সুড়ঙ্গ মাটির ঠিক কতটা নীচে রয়েছে এবং তার বিস্তৃতি কতটা জায়গা জুড়ে রয়েছে তা জানার চেষ্টা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

ইসরাইলের একরি শহরে মাটির ওপরে থাকা খ্রিস্টান ধর্মযোদ্ধাদের সদর দফতরের ধ্বংসস্তূপ এখনও রয়েছে।

বিজ্ঞানীদের অনুমান, আরও ভালো করে খোঁড়াখুড়ি করলে ধর্মযোদ্ধাদের লুকিয়ে রাখা অনেক সোনা উদ্ধার করা যাবে মাটির নীচের ওই সদর দফতর এবং সুড়ঙ্গ থেকে। সূত্র: আনন্দবাজার

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ