শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

বিসমিল্লাহর পরিবর্তে ৭৮৬ লেখা কি বৈধ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুসলিমদের মধ্যে একটি মারাত্মক বিদ’আত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম এর পরিবর্তে ৭৮৬ লিখতে আরম্ভ করেছেন। বাস, ট্রাক, রিক্সা, দোকান যত্রতত্র ৭৮৬ লিখা স্টিকার শোভা পাচ্ছে।

এমনকি মসজিদ, মাদরাসার দেওয়ালেও নক্সা করে ৭৮৬ লেখা হচ্ছে। আর পত্রের শুরুতে ৭৮৬ লেখা তো একটি অতি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “কেউ যদি দ্বীনের মধ্যে কোন নতুন প্রথার প্রচলন ঘটায় আর সেটা তার মধ্যে না থাকে তাহলে তা পরিত্যাজ্য হবে”। মুত্তাফাক্ব আলাইহি, মিশকাত, হাদিস নং ১৪০।

“আবজাদ” পদ্ধতির সূত্র মতে বিসমিল্লাহর পরিবর্তে ৭৮৬ লেখার যে প্রচলন হয় তা কোন শারঈ পদ্ধতি তো নয়ই এমনকি মুসলিমরা এই পদ্ধতির প্রবর্তকও নয়। পদ্ধতিটির আবিষ্কারক হল গ্রীসের প্রখ্যাত দার্শনিক পীথাগোরাস (Pythagoras)। সে ইহুদী ছিল এবং মুসলিমদের প্রকাশ্য শত্রু।

সূত্রটির ব্যবহার প্রধানত সম্রাটের এবং সরকারী কর্মচারীদের তোষামোদীর জন্য ব্যবহৃত হত। যেমনঃ তাদের সিংহাসন আরোহণের তারিখ অমুক পূণ্য বাক্যের কোডের সঙ্গে, জন্মগ্রহণের তারিখ অমুক পূণ্য বাক্যের কোডের সঙ্গে, মৃত্যু তারিখ অমুক কোডের সঙ্গে ইত্যাদি।

পীথাগোরাস প্রবর্তিত এই “আবজাদ” পদ্ধতিকে নাম সর্বস্ব মুসলিম বিদ’আতি আলেমরা গ্রহণ করে নিয়েছেন। এই সূত্র মতেই তাবিজ, তখতি ও দোকান ঘরের জন্য বিভিন্ন সংখ্যাতাত্ত্বিক বোর্ডেরও উদ্ভাবন করে তারা।

ইহুদী পীথাগোরাসের আবিষ্কৃত এই পদ্ধতিকে গ্রহণকারীরা সুস্পষ্টরূপে ইসলামের বিরুদ্ধাচরণ করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধাচরণ কর”। (মুত্তাফাক্ব আলাইহি, মিশকাত, হাদিন নং ৪৪২১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন “কেউ যদি কোন জাতির সাদৃশ্য গ্রহণ করে তাহলে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে”। (আবু দাউদ, সনদ হাসান, মিশকাত, হাদিস নং ৪৩৪৭)।

তাছাড়া দ্বীনের ব্যাপারে সকল প্রকার বিদ’আতই হারাম ও গোমরাহী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন “তোমরা (দ্বীনের) নব প্রচলিত বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাক। কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয় বিদ’আত এবং প্রত্যেক বিদ’আত ভ্রষ্টতা। [সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৯৯১ । সুনান আত তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৭৬)


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ