শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

'বাণিজ্য যুদ্ধেও বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাণিজ্য যুদ্ধেও বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে সুন্দর সময় পার করছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে আমরা এখন অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে চলছি।

গতকাল বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারামন ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিথসুহিরো ফুরুসাওয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গত দু’দশকের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৭ সালে সারা বিশ্বে যে অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল তাতে ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়াসহ এশিয়ার বেশ কিছু দেশ চরম অবস্থায় পতিত হয়। ২০০৮ সালের বিপর্যয়ে আমেরিকাসহ অনেক দেশে চরম অবস্থার সৃষ্টি হয়। কিন্তু তখনও আমাদের অর্থনীতি বিপর্যের সম্মুখীন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাবে সারাবিশ্বের অর্থনীতি নিম্নমুখী। বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাবে চীনের প্রবৃদ্ধি ১৪.৪ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে নেমে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রবৃদ্ধি বাড়ছে।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ বাংলাদেশের অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করেছে। আমাদের অগ্রগতি দেখে তারা অভিভূত। অন্য দেশগুলোর কাছে আমাদেরকে তারা ইতিবাচক উপস্থাপন করেছে। আইএমএফ তাদের আউটলুকে বলেছে চলতি বছরের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

নতুন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে তিনি বলেন, ২০৩০ সাল নাগাদ ৩ কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে এবং তখন আর কর্মসংস্থানের অভাব থাকবে না। বর্তমানে বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আইএমএফ’র দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্ট উয়িং শেফার এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, ভুটানের নির্বাহী পরিচালক অপর্ণা সুভ্রামনির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এর আগে তিনি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ’র বার্ষিক সভায় অংশ নেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ