শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ।। ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সব ব্যাংকের প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নির্দেশনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘শরিয়াহর চেতনাধারী যুব সমাজই আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়বে’ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুদ্ধে সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় রিয়াদকে ইরানের ধন্যবাদ মোটারসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ ও প্রাইভেটকারে ১০ লিটার তেল নেওয়া যাবে লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৬৫ বাংলাদেশি ইরানের জনগণসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি জামায়াতের সহমর্মিতা  ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতা 

আসামে থানায় বিবস্ত্র করে মুসলিম তিন বোনকে নিষ্ঠুর নির্যাতন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আসামের দারাং জেলার একটি থানায় মুসলিম তিন বোনকে বিবস্ত্র করে ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এতে গর্ভবতী এক বোনের গর্ভপাত হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ক দুই পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সিপাঝর থানায় দায়ের করা অভিযোগে তিন বোন বলেন, তাদেরকে থানায় আটকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়েছে। তাদের একজন বলেন, তিনি গর্ভবতী ছিলেন এবং নির্যাতনের কারণে তার গর্ভপাত হয়।

অভিযোগ দায়েরের পর দারাং জেলার বুরহা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এবং এক নারী পুলিশ কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে এনডিটিভি।

একটি অসমীয় নিউজ চ্যানেলকে ওই তিন নারীর দেওয়া সাক্ষাৎকারের পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

অভিযোগ দায়েরকারী এক ভুক্তভোগী বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটির সাতগাঁও এলাকায় নিজ বাসা থেকে স্বামী এবং দুই বোনসহ তাকে পুলিশ সদস্যরা তুলে নিয়ে দারাং জেলার বুরহা পুলিশ ফাঁড়িতে রাখে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ওই নারীর ভাই প্রেম করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক নারীকে নিয়ে পালিয়ে যান। ওই ঘটনায় দারাং জেলায় একটি অপহরণ মামলা হলে অভিযুক্তের স্বজনদের তুলে আসে পুলিশ।

দারাং পুলিশ সুপার অমৃত ভূঁইয়ার কাছে পৃথক এক অভিযোগে ২৮ বছর বয়সী ওই গৃহবধূ বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি, তার স্বামী ও দুই বোনকে বিবস্ত্র করে পেটান দুই পুলিশ কর্মকর্তা- ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহেন্দ্র শর্মা এবং নারী কনস্টেবল বিনিতা বোরো।

তারা বলেন, বন্দুকের মুখে ফাঁড়ির ইনচার্জ মহেন্দ্র শর্মা তাদের নির্যাতন করেন। এমনকি গর্ভবতী নারীকেও নির্যাতন থেকে রেহাই দেননি তিনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, নির্যাতিতা নারীদের একজন গর্ভবতী কিনা সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষা আছেন তারা। এদিকে ঘটনাটি তদন্তে একজন জ্যেষ্ঠ ইন্সপেক্টর জেনারেলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সূত্র: আসাম টাইমস

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ