সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন, চলছে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 

রোজাবস্থায় বমি হলে রোজা ভাঙবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবদুল্লাহ তামিম।

রোজা অবস্থায় অনেকেরই সমস্যা হয় বমি নিয়ে। অনেকের গ্যাসটিক থেকে ঢেকুর থেকে বমি হয় অনিচ্ছায়। বমি হলে রোজা ভাঙবে কিনা অনেকেই আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে থাকি।

বমির পরিমাণ বেশি হোক বা কম, সেটা খাদ্য বমি হোক বা রক্ত বমি, মনে রাখতে হবে রোজা হলো পানাহার না করার নাম।

বমি হলে তো পানাহার করা হয় না; বরং তার বিপরীত হয়। বমি হওয়ার পর রোজা পালনে সক্ষম হলে তা পূর্ণ করতে হবে। আর অক্ষম হলে রোজা ছেড়েও দিতে পারবে।

পরে রোজা কাজা আদায় করে নিতে হবে, কাফফারার প্রয়োজন হবে না। তবে বমি মুখে আসার পর তা গিলে ফেললে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।

ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলেও রোজা ভঙ্গ হবে। তখন কাজা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে। অনুরূপভাবে কোনো কারণে অজ্ঞান হলে (যাতে সাধারণত রোজার বিপরীত কিছু ঘটে না) তাহলেও রোজা ভঙ্গ হবে না। তবে দুর্বলতা বা অসুস্থতার কারণে প্রয়োজনে পানাহার বা ওষুধ সেবনে রোজা ভাঙলে পরে কাজা আদায় করে নিতে হবে।

সূত্র : ফাতওয়ায়ে তাতারখানিয়া; ফতওয়ায়ে হিন্দিয়া

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ