শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা

রোজা রেখে চোখে ড্রপ দিলে কি রোজা ভাঙবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মোস্তফা ওয়াদুদ কাসেমী: আল্লাহর বিধান রোজা রাখা। আমরা রোজা রাখি। কখনো এমন হয় যে, রোজা অবস্থায় ঔষধ ব্যবহার করতে হয়। অনেকের দিনের বেলায় ঔষধের অংশ হিসেবে চোখে, নাকে কিংবা কানে ড্রপ দিতে হয়। রোজাবস্থায় এ ঔষধ সেবনের বিধান কী? এর দ্বারা কি রোজা ভেঙে যাবে? ইসলাম এ ব্যাপারে কী বলে?

উত্তরটি জানা থাকা দরকার। আসুন জেনে নেই রোজাবস্থায ড্রপ ব্যবহার করার বিধান। এক কথায় এর জবাব হলো, চোখে ড্রপ ব্যবহার করার দ্বারা রোজা ভাঙবে না। তবে চোখে ড্রপ দেয়ার পর যদি তার ঘ্রাণ বা স্বাদ খাদ্যনালী পর্যন্ত চলে যায় তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। তবে সাধারণত চোখে ওষুধ বা ড্রপ ব্যবহার করলে খাদ্যনালীতে পৌঁছে না। এরপরও রোজাবস্থায় চোখে ড্রপ ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকা জরুরি।

এর সাথে সম্পৃক্ত আরো একটি মাসআলা হলো, রোজাবস্থায় নাকে ও কানে ড্রপ ব্যবহার করার বিধান সম্পর্কে? এর জবাব হলো, যদি কানে ও নাকে ড্রপের মাধ্যমে ওষুধ দেয়ার পর তা খাদ্যনালীতে চলে যায়। তাহলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি না যায়, তাহলে রোজা ভাঙ্গবে না। তবে ড্রপ ছাড়া যদি তৈলাক্ত কোনো ঔষধ ব্যবহার করা হয়। আর যদি তা খাদ্যনালীতে পৌঁছে যায় তাহলে রোজা ভেঙে যাবে।

কেননা হাদিসে আছে, হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সা. বলেছেন, শরীর থেকে (কোনো কিছু) বের হলে অজু করতে হয়, প্রবেশ করলে নয়। পক্ষান্তরে রোজা এর উল্টো। রোজার ক্ষেত্রে (কোনো কিছু শরীরে) প্রবেশ করলে রোজা ভেঙ্গে যায়, বের হলে নয় (তবে বীর্যপাতের প্রসঙ্গটি ভিন্ন)। (সুনানে নাসাঈ, বায়হাকী ৪/২৬১)

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ