সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: শেহবাজ শরিফ ইরানের নতুন নেতারা কথা বলতে চায় বলে দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান হামলা সামনের দিনগুলোতে আরও তীব্র হবে: নেতানিয়াহু ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় কঠোর হমলা চলবে: ইরানের প্রেসিডেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সৌদি আরব বাড়ল ওয়াসার এটিএম বুথের পানির দাম যুদ্ধ বন্ধে অবিলম্বে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জমিয়তের প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন খামেনি হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিলো হিজবুল্লাহ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর নামে প্রতারণা, সাবধান করল ইফা

আরও বেশি সন্তানের জন্ম দিন: অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যে দেশের সরকার বছরের পর বছর ধরে প্রচার করছে, দুটির বেশি সন্তান নয়, সে দেশেরই এক প্রাদেশিক মন্ত্রী জন্মনিয়ন্ত্রণ নীতির ঠিক বিপরীত পথে মানুষকে ডাকছেন। ভারতের কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে দেশটির অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও তেলেগু দেশম দলের নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু মানুষকে ‘পরামর্শ’ দিচ্ছেন, ‘আরও বেশি সন্তানের জন্ম দিন।’ শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) অন্ধ্রের রাজধানী অমরাবতীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ ‘পরামর্শ’ দেন।

শুধু তাই নয়; মানুষ যাতে আরও বেশি সন্তানের জন্ম দিতে উৎসাহী হয়, সেজন্য ‘সচেতনতা’ সৃষ্টি করবেন বলে জানিয়েছেন চন্দ্রবাবু। তার কথায়, ‘এখনকার দিনে যুবক-যুবতীরা বিয়ে করতে চায় না। যদি তারা বিয়ে করতে রাজি হয়ও, তাহলে সন্তানের জন্ম দিতে চায় না। এটা এক বিপজ্জনক প্রবণতা।’

তার মতে, ‘আমাদের পরিবারগুলোই দেশের গর্ব। আমাদের উচিত পরিবারকে রক্ষা করা। আমাদের বার বার মানুষকে বোঝাতে হবে, কেন সন্তান-সন্ততির জন্ম দেওয়া উচিত।’

একসময় যে দম্পতির দুটির বেশি সন্তান আছে, তাদের পঞ্চায়েত ভোটে লড়তে দেওয়া হতো না। সেকথা উল্লেখ করে চন্দ্রবাবু বলেন, ‘এখন ওই নিয়ম তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা মানুষকে আরও বেশি সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য উৎসাহ দিচ্ছি। কোনও দম্পতির যদি চারটি সন্তান হয়, তাহলেও ক্ষতি নেই।’

এবারই প্রথম নয়; এর আগেও এমন পরামর্শ দিয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। ২০১৫ সালেও তিনি ‘আরও বেশি সন্তানের জন্ম দেওয়া’র আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেবার নারীদের এক সেলফ হেলপ গ্রুপের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘চীন, জাপান এবং ইউরোপের বহু দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে না। তাদের কাছে এটা এক বিরাট সমস্যা। সেদিক থেকে ভারত সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। কিন্তু আগামী দিনে এদেশেও জনসংখ্যা কমতে পারে। এখনই দেশে মৃত্যুহারের থেকে জন্মহার কম।’

বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশ এখন ভারত। ২০১৭ সালের এক হিসাবে, বর্তমানে দেশটির লোকসংখ্যা ১৩০ কোটির কিছু বেশি। এই অবস্থায়ও চন্দ্রবাবু চাইছেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাক। সূত্র– এনডিটিভি।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ