রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: শেহবাজ শরিফ ইরানের নতুন নেতারা কথা বলতে চায় বলে দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান হামলা সামনের দিনগুলোতে আরও তীব্র হবে: নেতানিয়াহু ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় কঠোর হমলা চলবে: ইরানের প্রেসিডেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সৌদি আরব বাড়ল ওয়াসার এটিএম বুথের পানির দাম যুদ্ধ বন্ধে অবিলম্বে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জমিয়তের প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন খামেনি হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিলো হিজবুল্লাহ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর নামে প্রতারণা, সাবধান করল ইফা

সাংবাদিক হত্যায় এবার রাম রহিমের যাবজ্জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এক সাংবাদিককে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ধর্মীয় গুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) আদালত এ রায় দেন। একইসঙ্গে তার তিন সহযোগীকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় কারাকক্ষ থেকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের পঞ্চকুলা আদালতে এই হত্যা মামলার দণ্ডাদেশ শোনানো হয় রাম রহিমকে।

ডেরা সাচ্চা সওদা নামের ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রধান ৫১ বছর বয়স্ক রাম রহিমের আস্তানায় নারীদের যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার খবর প্রকাশ করে দিয়েছিলেন একটি হিন্দি পত্রিকার সম্পাদক রাম চন্দর ছত্রপতি। এর কিছু দিন পরেই তাকে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া, আগে থেকেই আরও দুজন নারী অনুসারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে রাম রহিম সিং।

রাম রহিম সিং নিজেকে ধার্মিক আধ্যাত্মিক গুরু বলে দাবি করতো এবং সারা দুনিয়া থেকে আসা অনুসারীদের তিনি কৌমার্য এবং ব্রহ্মচর্যের শপথ নিতে বলতো।

২০০২ সালে মি. ছত্রপতি তার ‘পুরা সাচ’ নামের পত্রিকায় একটি চিঠি প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশ না করে চিঠিটি লিখেছিলেন রাম রহিম সিং-এর এক অনুসারী। তিনি লেখেন, সেই ধর্মীয় গোষ্ঠীর ভেতরে যৌন অনাচারের কথা। খবর প্রকাশের মাত্র পাঁচদিন পর ২০০২ সালের ২৪ অক্টোবর দেরা সাচ্চা সওদার অনুসারীরা মি. ছত্রপতিকে তার বাড়ির সামনেই গুলি করে, কয়েকদিন পর তার মৃত্যু হয়। ততদিনে তার পত্রিকায় প্রকাশিত চিঠি নিয়ে বড় আকারের এক তদন্ত শুরু হয়ে যায়।

তার বিরুদ্ধে দুই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল। ওই সময় রাম রহিমকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পঞ্চকুলায় দাঙ্গা বেঁধে যায়। রাম রহিমের অনুসারীরা তাকে গ্রেফতারে বাধা দেয়। ওই দাঙ্গার ঘটনায় নিহত হয়েছিল ৩০ জন এবং অনেক সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতি হয়।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ