হাসান আল মাহমুদ
আওয়ার ইসলাম
দেশের সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা বর্ষ ইংরেজি মাসের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বরে এসে সমাপনী পরীক্ষায় শেষ হয়।
সমিক্ষায় দেখা যায়, স্কুল থেকে সমাপনী পরীক্ষা দিয়ে কিছু ছেলে-মেয়ে মাদরাসায় পড়তে আসে।
কিছু ছেলে-মেয়ে আলিয়া মাদরাসায় আবার কিছু ছেলে-মেয়ে কওমি মাদরাসায় ভর্তি হয়।
দেশের আলিয়া মাদরাসাগুলোর শিক্ষা সেশনও যেহেতু জানুয়ারি টু ডিসেম্বর। তাই, একটি স্কুল সেশনের শিক্ষা সমাপন করে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য আলিয়ায় ভর্তি হওয়া, ক্লাস ধরা সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সহজতর।
অপরদিকে দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর শিক্ষা বর্ষের সেশন চলে আরবি মাসের শাওয়াল থেকে শাবান। বাকি একটি মাস তথা রমজান মাস থেকে অর্ধ শাওয়াল মাস পর্যন্ত চলে ভর্তি কার্যক্রম।
সে কারণে স্কুল বা আলিয়া থেকে একজন শিক্ষার্থীকে কওমি মাদরাসায় ভর্তি হতে হলে হয় তাকে স্কুল-আলিয়া সেশন পূরণ না করে আসতে হবে নতুবা সমাপনী পরীক্ষা দেওয়ার পর কওমি সেশনের রমজান পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর খুব কম মাদরাসাতেই শিক্ষা বর্ষের মাঝখানে তথা স্কুল-আলিয়ার ভর্তি মৌসুম জানুয়ারি মাসে ছাত্র ভর্তি নেওয়া হয়ে থাকে। যার ফলে, স্কুল পড়ুয়া অনেক ছাত্রই তাদের কাঙ্খিত কওমি মাদরাসায় ভর্তি হতে পারে না।
আবার যেসব মাদরাসায় বছরের মাঝখানে ছাত্র ভর্তি নেয়, তাদেরও কোটা থাকে সীমিত। প্রাইভেট কিংবা ক্যাডেট টাইপের মাদরাসাগুলো বাণিজ্যিক ভাবনায় ব্যতিক্রম হয়ে থাকে। কিন্তু মূল ধারার কওমি মাদরাসাগুলোয় স্কুল-আলিয়া শিক্ষা সেশন সমাপন করে আসা ছাত্রদের কওমি অন্তর্ভুক্ত হতে পড়তে হয় সংকটে।
এ সংকট কেন? জানতে চাইলে রাজধানী ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত মাদরাসা দারুর রাশাদ'র শিক্ষাসচিব, বিশিষ্ট লেখক, শিক্ষাবিদ মাওলানা লিয়াকত আলী আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সাধারণত আমাদের কওমি মাদরাসাগুলোয় আগে এমন ব্যবস্থাপনা ছিল, যখনই ছাত্র আসতো, তখনই তাদের ভর্তি নেয়া হত।
তিনি বলেন, আমাদের দারুর রাশাদে কিন্তু এমন ব্যবস্থাপনা এখনো আছে। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়ে আসা ছাত্রদের জন্য আমাদের শিক্ষা বর্ষের বাকি সময়গুলোতে আমরা আলাদা করে রমজান পর্যন্ত আরবি সাবজেক্টগুলো পড়িয়ে সবল à