সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ।। ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৭ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভাষণে বিনয়, চোখে স্বপ্ন: তারেক রহমানকে নিয়ে কিছু ভাবনা ‘দেশে ৩ হাজার ৪৫৭টি সোলার ইরিগেশন স্থাপন করা হয়েছে’  গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ১২৫ দেশের সব রুটে ভ্রমণে বড় ছাড় দিচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তালাকপ্রাপ্তাকে বিয়েতে সহযোগিতা করুন, নিরুৎসাহিত নয় শর্ত পূরণ না করা এজেন্সি হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না ‘অপতথ্য রোধে ১৬ ভুয়া ওয়েবসাইট ও ৪০০ অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত’  দাওয়াতি মজলিস ও যোগদান অনুষ্ঠান সফল করতে বিকেএমের প্রস্তুতি সভা ভারতজুড়ে আন্দোলনের ঘোষণা অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের শাহজালালের (রহ.) মাজারে প্রথমবার প্রকাশ্যে গোনা হচ্ছে দানের অর্থ

বাবা ছেলে দুইজনের মনোনয়ন পত্রই বাতিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নড়াইল-২ আসনে নির্বাচনের জন্য বিএনপি থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন সাবেক এমপি আল মারকাজুল ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মুফতি শহিদুল ইসলাম। কথা ছিল সব ঠিক থাকলে তিনি এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাশরাফি বিন মর্তোজার সঙ্গে লড়বে।

কিন্তু ২ ডিসেম্বর মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের দিনে তার মনোয়ন বাতিল করে দিয়েছে ইসি।

এদিকে নির্বাচনের জন্য একই আসনে তার ছেলে মুফতি তালহা ইসলামও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন। ইসি তার মনোনয়ন পত্রও বাতিল করে দিয়েছি বলে জানা গেছে।

মুফতি তালহা ইসলাম এ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।

জানা যায়, মুফতি শহিদুল ইসলামের দুদকের একটি মামলায় ১০ বছরের সাজা, বিদেশ থাকা এবং স্বাক্ষর সঠিক না হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি তালহা ইসলামের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে নিয়মানুযায়ী এক শতাংশ ভোটারদের স্বাক্ষরের কাগজপত্র সঠিক ভাবে জমা না দেয়ায়।

নিয়ম অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে তার আসনের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।

মুফতি শহীদুল ইসলাম ২০০১ সালের নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪ হাজার ২৩৩ ভোটে হেরে যান। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে মুফতি শহিদুল ইসলাম সাংসদ নির্বাচিত হন।

মাশরাফির বিরুদ্ধে লড়বেন মুফতি শহিদুল ইসলাম

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ