মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

গিনেজ বুকে নাম লেখাবেন যেভাবে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের নাম জানেনা এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। শিশু থেকে ষাটোর্ধ ব্যক্তিও এ নামটি ভালোভাবেই জেনে থাকবে। কত বিচিত্র সব রেকর্ডের ছড়াছড়ি সেখানে।

গিনেজ বিশ্ব রেকর্ড (ইংরেজি: Guiness World Records) যা ২০০০ সালে থেকে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস নামে পরিচিত। এটি একটি বার্ষিক প্রকাশনা বিশেষ। এতে বিশ্বের যাবতীয় রেকর্ডসমূহ নথিবদ্ধ থাকে।

আমরা অনেকেই চাই, আমিও যদিও গিনেজ রেকর্ডে নাম উঠাতে পারতাম! আমারও তো অমৃুক প্রতিভা রয়েছে। আমিও তবে বিশ্ব রেকর্ডকারীর একজন হতে পারতাম। কিন্তু অনেকেই জানেন না, কীভাবে বিশ্ব রেকর্ড করা যায়।

তবে জেনে নিন, সেটি মোটেও কঠিন নয়। এজন্য আপনার থাকা চাই, একাগ্রতা, অনন্য দক্ষতা ও কঠিন সংকল্প। হ্যাঁ, এর পাশাপাশি অনুসরণ করতে হবে গিনেজের আটটি ধাপ। এরপর আপনিও হতে পারেন গিনেজ বিশ্ব রেকর্ডের মালিক।

ধাপ-১

গিনেজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘হোয়াট মেকস গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস রেকর্ড টাইটেল’ এবং তাদের নিয়ম-নীতিগুলো ভালো করে দেখে নিন। জেনে নিন, যে বিষয়ে আপনি অ্যাটেম্প্ট নেবেন এর আগের রেকর্ড ও আপনার সক্ষমতা।

ধাপ-২

এবার নির্বাচন করুন কোনটির জন্য আপনি প্রতিযোগিতায় নামবেন। আপনি চাইলে নতুন কোনো আইডিয়াও জানাতে পারেন।

ধাপ-৩

অপেক্ষা করুন পরবর্তী গাইডলাইনের। আপনার দেওয়া নতুন আইডিয়া যদি নির্বাচিত নাও হয়,গিনেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেবেন কেনো হয়নি। এজন্য সময় লাগতে পারে সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ।

ধাপ-৪

আপনার অ্যাটেম্প্ট নির্বাচিত হয়ে গেলে আপনাকে গাইডলাইগুলো জানিয়ে দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হবে কী কী লাগবে ও কোন ধরনের প্রমাণাদি লাগবে। আপনাকে দেওয়া হবে ‘গাইড টু ইয়োর এভিডেন্স’, যেখান থেকে আপনি জানতে পারবেন কীভাবে আপনার অ্যাটেম্প্ট ভেরিফায়েড হবে। বহু অ্যাটেম্প্ট এই ধাপে ঠিকঠাক নিয়ম-নীতি মেনে না চলার কারণে বাদ পড়ে যায়।

ধাপ-৫

অনুশীলন, অনুশীলন এবং অনুশীলন! এটাই এই ধাপে সবচেয়ে বেশি দরকার। বেশি বেশি অনুশীলন আপনাকে আরও বেশি পারফেক্ট করে তুলবে এবং সহজেই মিনিমাম রিকয়ারমেন্ট আপনি অতিক্রম করে যেতে পারবেন।

ধাপ-৬

এই ধাপে করতে হবে অফিসিয়াল অ্যাটেম্প্টের জন্য পরিকল্পনা।

-দিন-তারিখ ও জায়গা ঠিক করুন যেখানে অ্যাটেম্প্ট করবেন।
-একজন নিরপেক্ষ সাক্ষী ও বিষয়পরিপূরক একজন বিশেষজ্ঞ হাজির রাখুন।
-প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও বিষয়াদির ব্যবস্থা রাখুন।
-অ্যাটেম্প্ট ডকুমেন্টেশনের জন্য একজন ফটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাফার রাখুন।
-এই বিষয়ে বর্তমান রেকর্ডটি মাথায় রাখুন।
-এবার শুরু করুন।

ধাপ-৭

আপনার সব প্রমাণাদি ও দলিলপত্র সাবমিশনের জন্য প্রস্তুত রাখুন। সময়মতো অনলাইনে আপলোড করে কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করুন। প্রায় ৫০ শতাংশ সাবমিশন কেবল প্রমাণাদির অভাবে বাতিল হয়ে যায় কাজেই সতর্ক থাকুন।

ধাপ-৮

যদি সফল হন, অভিনন্দন। আপনার কাছে পৌঁছে যাবে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের অফিসিয়াল সনদ। যদি অসফল হন, কোনো ব্যাপার নয়। হার না মেনে পরবর্তী অ্যাটেম্প্ট বা অন্য কোনো বিষয়ে চেষ্টা করুন।

আরও পড়ুন : ৫০ হাজার যাত্রীর সঙ্গে সেলফি তুলে গিনেস বুকে ট্যাক্সিচালক


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ