মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

জাতিসংঘের সঙ্গে মিয়ানমারের সমঝোতা স্মারক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অাওয়ার ইসলাম:  সেনাবাহিনীর হত্যা-নির্যাতন-ধর্ষণের মুখে রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া সাত লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে স্বদেশে নিরাপদে প্রত্যাবর্তনের জন্য অবশেষে জাতিসংঘের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে সাক্ষর করেছে মিয়ানমার।

গত বছরের ২৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে উপকূলের বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও সীমান্তের শূণ্যরেখায় আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন ‘নিরাপদ, সম্মনাজনক ও টেকসই’ করার জন্য একটি ‘সহযোগিতামূলক অবকাঠামো’ বের করাই হবে এই সমঝোতা স্মারক চুক্তির মূল লক্ষ্য।

এর আগে বাংলাদেশের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের ব্যাপারে চুক্তি করলেও বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটি এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থাকে জড়াতে রাজি হচ্ছিল না; এমনকি রাখাইনেও তাদের পরিদর্শন ছিল নিষিদ্ধ।

এর মধ্যে আজ বুধবার মিয়ানমারের সঙ্গে এ ধরনের সমঝোতা স্মারক চুক্তিকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রত্যাবর্তনের ‘প্রথম পদক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের সেখানকার আবাসিক প্রতিনিধি কান্ট ওস্তবি।

জাতিসংঘের কর্মকর্তা বলেন, ‘এ জন্য আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। কিন্তু এটাকে অগ্রাহ্য করা যাবে না।’ তিনি আরো বলেন, আমরা প্রায় সাত লাখভ রোহিঙ্গার প্রত্যাবর্তনের ব্যাপারে কথা বলব। কিন্তু তাদেরকে যথাযথ শর্তের মধ্য দিয়ে ফিরে আসার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

‘সমাজে তাদের সম্মানজনক অবস্থান, নিরাপত্তার বিষয় এমনকি তাদের জীবিকা, বাসস্থানের মতো বিষয়গুলোকেও শর্তের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত রাখতে হবে’, যোগ করেন জাতিসংঘের কর্মকর্তা।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) এক তথ্যমতে, গত বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে ৩০টি পুলিশ ও সেনাক্যাম্পে হামলার পর সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা মাতৃভূমি ছাড়তে বাধ্য হয়।

তারা বিপদসংকুল নদী ও সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের উপকূলবর্তী শরণার্থী শিবিরে এসে আশ্রয় নেয়। সেখানে এরই মধ্যে এক মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছে আরো প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা।

এই ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদি উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘ। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মিয়ানমার ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি পরিহার করার পাশাপাশি এই জনগোষ্ঠীকে নিজেদের দেশের নাগরিক বা স্বতন্ত্র নৃগোষ্ঠী বলেও স্বীকৃতি দিতে রাজি নয়। তারা এই মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ বলে অভিহিত করে থাকে।

এর মধ্যেই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে মিয়ানমার। যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ থাকলেও এ ব্যাপারে এখনো কোনো উন্নতি হয়নি।

আরো পড়ুন- বেফাকের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৭৬.৬৯


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ