বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিকেএম পল্টন থানা শাখার সভাপতি বদর ও সম্পাদক মনির ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরামর্শ ও হাসপাতালগুলোকে জরুরি নির্দেশ ৭ দলের সঙ্গে বসছে হেফাজত, আজ চোখ থাকবে বাবুনগরে শাপলা হত্যাকাণ্ড: হাসিনাসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা সাবেক আমির হাসপাতালে, দেখতে গেলেন বিকেএম মহাসচিব সরকারের শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগকে স্বাগত জানাল ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে মুফতি তাকি উসমানীর ফতোয়া, ব্যাখ্যা চাইল পাকিস্তান সরকার অনলাইনের দীনদার, পরিচয় নাকি মুখোশ? দেশের আকাশে দেখা গেছে পবিত্র সফর মাসের চাঁদ কলার বহুমুখী ব্যবহার বাড়ছে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

সরকারি ব্রিজের সুবিধা নিচ্ছে দুই পরিবার; ভোগান্তিতে ৩০ হাজার মানুষ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দল্টা বাজার এলাকায় একটি খালের ওপর সরকারি অর্থায়নে ব্রিজ নির্মিত হলেও, দুটি প্রভাবশালী পরিবারের কারণে ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না চার গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ।

ফলে নিরুপায় হয়ে ব্রিজটির পাশেই বাঁশের সাঁকো তৈরি করে যাতায়াত করছেন স্থানীয়রা।এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হয়নি। বরং স্থানীদের উল্টো হামলা-মামলার হুমকি দিচ্ছেন স্থানীয় দুই পরিবার।

জানা যায়, রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের দল্টা বাজার এলাকায় অবস্থিত এ ব্রিজটি। ২০১২-১৩ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক পাকা সেতু-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়।

ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় ২০ লাখ টাকা। দল্টা, জাফরনগর ও মানিকপুরসহ ৪ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পর এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের কিছুদিন পর স্থানীয় প্রভাবশালী মনির হোসেন ও হুমায়ুন কবির জোর করে ব্রিজের উত্তর পাশে বাড়ির গেইট করে মানুষের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়।

পরে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে ব্রিজের পাশ দিয়ে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। সাঁকো পারাপার হতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার স্বীকার হতে হচ্ছে স্কুলের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চার গ্রামের ৩০ হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সরকার এ ব্রিজটি নির্মাণ করে। কিন্তু মানুষের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয় স্থানীয় প্রভাবশালী মনির হোসেন ও হুমায়ুন কবির।

এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে মামলা-হামলাসহ নানান ধরনের ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেয় তারা। তাদের ভয়ে এলাকার কোনো মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়। এ নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও কোনো লাভ হয়নি। উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়।

এইচজে

আরো পড়ুনযাকাত হিসেবের অাধুনিক পদ্ধতি (ভিডিও)


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ