বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

কখন চুপ থাকবেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ওমর ফাইয়ায: জীবনের প্রয়োজনে মানুষকে কথা বলতে হয়। কিন্তু জীবনের কিছু ক্ষেত্রে কথা বলা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, জীবনে অনেক সময় এমনও আসে যখন কথা না বলাটা তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

কথা বলতে বলতে কখন থেমে যেতে হয়, কখন চুপ থাকতে হয় তা জানাটা ভীষণ প্রয়োজন। কথা না বলা এমন মুহূর্ত জীবনে হাজার রকম। এখানে আমরা শুধু কয়েকটি উল্লেখ করছি।

১. কোনো বিষয়ে যথাযথভাবে জানা না থাকলে চুপ করে থাকাই উত্তম, অযথা তর্ক মানুষের দৃষ্টিতে আপনার সম্মান কমিয়ে দেবে।

২. প্রিয় মানুষকে সব অপ্রিয় সত্য বলতে নেই। আপনার একটু চুপ থাকাতে কারও মুখের হাসিটি বেঁচে থাকলে ক্ষতি কি!

৩. অলোচনায় আপনার কথা অপ্রয়োজনীয় মনে করা হচ্ছে বুঝতে পারলে চুপ হয়ে যান। যেচে নিজের মত দিতে যাবেন না।

৪. চুপ করে থাকাটাও মাঝে মাঝে আপনি উপভোগ করতে পারেন। মানুষের কথা ফুরিয়ে যেতেই পারে। জোর করে কথা বলতে হবে এমন তো কেউ মাথার দিব্যি দেয়নি।

৫. প্রতিবাদ করা ভাল। তবে পরিস্থিতি বিচার করে। কোনো জায়গায় যদি মনে হয় প্রতিবাদ করলে আপনাকে অপমানিত হতে হবে, লাভও কিছু হবে না, তখন চুপ থাকাই ভালো।

৬. মন খারাপ থাকলে কথা কম বলুন, একেবারে চুপ করেও থাকতে পারেন। কারো সঙ্গেও আপনি অকারণে খারাপ ব্যবহার করে ফেলতে পারেন। আর তার জন্য আপনাকে পরে পস্তাতে হতে পারে।

হাফেজ জাফর; টুুপির সঙ্গে যার জীবন

-আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ