মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকায় ‘বিশ্ব আল-কুদস সপ্তাহ’ শুরু অভিযানে বিএনপি নেতার মৃত্যু নিয়ে যা বলছে সেনাবাহিনী মজুদকারীদের উদ্দেশে মাওলানা আজহারীর কড়া বার্তা পবিত্র রমজান মাসের সম্ভাব্য তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি তাপমাত্রা নিয়ে নতুন বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস শায়খ আহমাদুল্লাহর পরামর্শে প্রবাসীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ চালু করছে সরকার বাংলাদেশি আলেমের হাতে অন্তিম মুহূর্তে হাসপাতালে কোরিয়ান বৃদ্ধের ইসলাম গ্রহণ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে: প্রধান উপদেষ্টা সরকারবিরোধী আন্দোলনে গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে ইরান

‘আল্লাহর ধ্যানেই মগ্ন থাকি, আর কোনোদিনই গান গাইব না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মাদ
আওয়ার ইসলাম

দেশের গান কিংবা চলচ্চিত্রের গানকে সঙ্গীতশিল্পী শাহনাজ রহমত উল্লাহ তার গায়কী দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন । তবে তিনি গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন প্রায় সাত বছর হলো।

আজ এই কণ্ঠশিল্পীর জন্মদিন। তবে জন্মদিন উপলক্ষে নেই কোনো বিশেষ আয়োজন। অন্যান্য দিনের মতোই কাটবে আজকের দিনটি, এমনই জানালেন শাহনাজ রহমত উল্লাহ ।

জাতীয় দৈনিক যুগান্তরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এখনতো আসলে জীবনযাপন বদলে গেছে। সারাক্ষণ মহান আল্লাহর ধ্যানেই মগ্ন থাকি, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনেই চেষ্টা থাকে আমার। আমি সবার জন্য দোয়া করি যেন সবাই সুস্থ থাকেন, ভালো থাকেন। আজকের দিনে একটি এতিমখানায় এতিমদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করেছি।

ছোটবেলার জন্মদিন প্রসঙ্গে শাহনাজ রহমত উল্লাহ বলেন, ছোটবেলায় আম্মা পোলাও রান্না করতেন। আমরা সব ভাইবোন মিলে বেশ আনন্দ নিয়ে খাওয়া-দাওয়া করতাম। সেই স্মৃতি আজ ভীষণ মনে পড়ে।

শাহনাজ রহমত উল্লাহ জন্ম ১৯৫২ সালের ২ জানুয়ারি ঢাকায়। তার বাবা এম ফজলুল হক, মা আসিয়া হক। মায়ের হাতেই ছোটবেলায় শাহনাজের গানের হাতেখড়ি। ছোটবেলাতেই তিনি শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান। মাত্র ১১ বছর বয়সে ১৯৬৩ সালে নতুন সুর চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেন। সেই থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত নিয়মিত গান করেছেন। টেলিভিশনে গান গাইতে শুরু করেন ১৯৬৪ সাল থেকে।

শাহনাজ রহমত উল্লাহ সত্তরের দশকে অনেক উর্দু গীত ও গজল গেয়েছেন। প্রখ্যাত গজলশিল্পী মেহেদী হাসানের কাছে তিনি গজল শিখেছেন। ১৯৭৩ সালে তিনি আবুল বাশার রহমত উল্লাহ সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক মেয়ে নাহিদ রহমত উল্লাহ এবং  এক ছেলে এ কে এম সায়েফ রহমত উল্লাহ।

সঙ্গীতে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কারসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।  প্রায় সাত বছরেরও বেশি সময় যাবৎ সঙ্গীতাঙ্গন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে ঘর-সংসার, আল্লাহর পথেই তার সময় কাটে।

প্রশ্ন রাখি যদি মনের মতো গীতিকবিতা, সুর আপনার জন্য করা হয় আর কী গাইবেন কখনো? এমন প্রশ্নের জবাবে শাহনাজ রহমত উল্লাহ বলেন, যেহেতু সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর কোনোদিনই গাইবো না। সুতরাং আর কোনোদিনই গান গাইবো না। আমি আমার সিদ্ধান্তেই অটল থাকতে চাই।

বিয়ের পরে তিনটি চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেছিলেন শাহনাজ। খান আতাউর রহমানের সুরে আবার তোরা মানুষ হ, আলাউদ্দীন আলীর সুরে সাক্ষী ও আনোয়ার পারভেজের সুরে ছুটির ফাঁদে চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেন। এর মধ্যে ছুটির ফাঁদে চলচ্চিত্রে গাওয়া সাগরের সৈকতে কে যেন দূর থেকে গানটির জন্য প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

সূত্র : যুগান্তর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ